করোনাভাইরাসসের সংক্রমণ রোধে নরসিংদী জেলাকে লকডাউন (অবরুদ্ধ) ঘোষণা করেছেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন।
আজ (০৯ এপ্রিল) বৃহস্পতিবার সকাল থেকে এই আদেশ কার্যকর হবে ও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা কার্যকর থাকবে বলেও জানান জেলা প্রশাসক।
গতকাল (০৮ এপ্রিল) বুধবার বিকেল ৪টার দিকে এই আদেশ জারি করা হয়।
এদিকে, নরসিংদীর পলাশ উপজেলার পর রায়পুরা উপজেলাতে দুইজন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও নরসিংদী করোনা প্রতিরোধ জরুরি সেলের প্রধান ইমরুল কায়েস।
নির্দেশনা অনুযায়ী নরসিংদী জেলায় জনসাধারণের প্রবেশ ও প্রস্থান নিয়ন্ত্রণ করা হবে। ঢাকা-সিলেট জাতীয় মহাসড়ক ছাড়া জেলা, উপজেলার অন্য সব রাস্তা ও সীমানা দিয়ে ভিন্ন জেলায় যাতায়াতে প্রবেশ ও প্রস্থানের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।
এ সময় সবধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, গণজমায়েত, গণপরিবহন, দিন-রাতে জনসাধারণের চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি সেবা, খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ ও চিকিৎসা এর আওতাবহির্ভুত থাকবে। এ আদেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ও নরসিংদী করোনা প্রতিরোধ জরুরি সেলের প্রধান ইমরুল কায়েস বলেন, করোনাভাইরাস ঝুঁকি মোকাবিলা ও সুরক্ষার প্রয়োজনে নরসিংদী জেলাকে লকডাউন (অবরুদ্ধ) ঘোষণা করা হয়েছে। কারণ নরসিংদীতে যে তিনজন করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে। তারা দুই জনই নারায়ণগঞ্জ থেকে এসেছেন। সে কারণেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর রায়পুরা উপজেলার শাহপুর গ্রামসহ আশেপাশের পাঁচটি গ্রাম, ডৌকারচরের একটি গ্রাম এবং পলাশের ইসলামপাড়া গ্রামটি লকডাউন করা হয়েছে।
নরসিংদীর সিভিল সার্জন ডা. মো. ইব্রাহীম টিটন বলেন, নরসিংদীতে মোট তিন জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আর হোম কোয়ারেন্টিনে ২৩১ জনকে রাখা হয়েছে।
এমবি





