নারায়ণগঞ্জে দু’পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এসময় সেখানে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়।

সেহেরির সময় তেহারি খাওয়াকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনগত রাত ৩টার দিকে রূপগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের গুতিয়াব নামাপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে ফজলুল হক (৬০), রায়হান মিয়া (১৯), জুয়েল মিয়া (৩১), নজরুল ইসলাম (৪৫), ফজলুল মিয়া (৪০), সোলায়মান মিয়া (৫৫), আমান উল্লাহ (৩৮), অহিদ মিয়া (২৯), রাসেল মিয়া (২৭) ও আমেনা বেগমের (৩৩) নাম জানা গেছে।

এদের মধ্যে ফজলুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্যদেরকে রূপগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় সুফান সিটি নামে একটি আবাসন প্রকল্পের মালিকপক্ষ পবিত্র শবে-কদর উপলক্ষে গুতিয়াব নামাপাড়া মসজিদে সেহেরিতে মুসল্লিদের জন্য তেহারির ব্যবস্থা করে।

ওই তেহারি রাত ৩টার দিকে স্থানীয় মুসল্লিদের মধ্যে বিতরণ করা হয়। এসময় তেহারি খাওয়া নিয়ে স্থানীয় ফজলুল হকের সঙ্গে আফু মিয়ার বাকবিতণ্ডা হয়। পরে ফজলুল হক ও তার লোকজন ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আফু মিয়ার ওপর হামলা চালায়।

একপর্যায়ে আফু মিয়ার পক্ষের লোকজন তাদের বাধা দিলে উভয়পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন।

এসময় উভয়পক্ষের বাড়িঘরে পাল্টা-পাল্টি হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

রূপগঞ্জ থানার অফিসার ইনার্জ (ওসি) মাহমুদুল ইসলাম বলেন, ফের সংঘর্ষ এড়াতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এআর