বিভিন্ন স্থানে বন্যা আর বৃষ্টির কারণে দেশের অন্যতম পাইকারি কাপড়ের হাট নরসিংদীর বাবুরহাটে জমে ওঠেনি ঈদ ও পূজার বেচাকেনা। দোকানে নতুন নতুন কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসলেও আশানুরুপ ক্রেতা না পেয়ে অনেকটাই হতাশ ব্যবসায়ীরা। খুচরা বাজারে বেচাকেনা না হওয়ায় মন্দাভাব বলে জানান তারা।

দেশের অন্যতম পাইকারী কাপড়ের বাজার নরসিংদীর শেখেরচর-বাবুরহাট। মাথার টুপি থেকে শুরু করে শাড়ী, লুঙ্গি, পাঞ্জাবি, থ্রি-পিস, শার্ট-প্যান্ট, থান কাপড়সহ প্রায় সব ধরনের কাপড় পাওয়া যায় এখানে। ঈদ আর পূজা উপলক্ষ্যে বাজারের ছোট বড় সব দোকানে কাপড়ের পসরা সাজিয়ে বসেছেন ব্যবসায়ীরা।

ঈদ আর পূজা দুটি উৎসবে এইবার এক সাথে হওয়ায় বেচাকেনা জমে উঠবে, ব্যবসায়ীদের এমন প্রত্যাশা থাকলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বন্যা, বৃষ্টি আর গত দুই দিনের হরতাল এর কারনে তা হয়নি। পাইকারী ক্রেতা না পেয়ে অধিকাংশ সময় দোকানের মালিক-কর্মচারীরা অলস সময় কাটাচ্ছে।

একজন বিক্রেতা বলেন, 'এবারে বৃষ্টি একটু বেশি হওয়ায় প্রতাশা অনুযায়ী আমাদের বেচা-বিক্রি কিছুটা কম হয়েছে। আমরা আশা করছি সামনে যে হাটের দিন রয়েছে সেখানে বিক্রি ভালো হবে।'

ব্যবসায়ীদের দাবি, দেশের সর্ববৃহৎ কাপড়ের হাট বাবুরহাটে ঈদ আর পূজার সময় যেখানে প্রতি সপ্তাহে লেনদেন হতো প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এই বার দেশে বন্যা আর বৃষ্টির পরিস্থিতির কারণে তা ব্যাপক ভাবে কমে গিয়ে বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৩ থেকে ৪ শত কোটি টাকায়।

বাবুর হাট বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন বলেন, 'ঈদ ও পূজাকে সামনে রেখে আমাদের প্রস্তুতি একটু বেশিই ছিল। কিন্তু সে অনুপাতে আমরা তেমন সফল হতে পারিনি।'

বাবুর হাটে ছোট বড় সব মিলিয়ে পাইকারী কাপড়ের দোকান আছে প্রায় তিন হাজার।

জেআই