সমযের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে শিশহত্যা। এবার হবিগঞ্জে হত্যা করা হয়েছে ৪ শিশুকে।

হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের চার শিশু হত্যার ঘটনায় কারাগারে থাকা ৪ আসামির জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত।

আসামিরা হলেন, বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের পঞ্চায়েত আব্দুল আলী উরপে বাগাল, তার দুই ছেলে জুয়েল ও রুবেল এবং একই গ্রামের আরজু মিয়া।

মঙ্গলবার (০৮ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাউছার আলমের আদালত আসামিদের জামিন নামঞ্জুর করেন।বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন।

নিহত শিশুরা হলো- বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে সুন্দ্রাটিকি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্র জাকারিয়া শুভ (০৮), আবদাল মিয়ার ছেলে প্রথম শ্রেণীর ছাত্র মনির মিয়া (০৭), আব্দুল আজিজের ছেলে চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্র তাজেল মিয়া (১০) ও সুন্দ্রাটিকি আনওয়ারুল উলুম ইসলামিয়া মাদ্রাসার নুরাণী প্রথম শ্রেণীর ছাত্র আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাইল মিয়া (১০)। তাদের মধ্যে শুভ, মনির ও তাজেল একে অপরের চাচাতো ভাই।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শিশু মনির, শুভ ও তাজেলের বাবার সঙ্গে একটি বরই গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের পঞ্চায়েত আব্দুল আলী ওরফে বাগল মিয়ার বিরোধ ছিল। ওই বিরোধের জের ধরে ওই শিশুদের অপহরণের পর হত্যা করা হয় এবং হত্যার পর গ্রাম থেকে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরের ইছারবিল খালের পাশে বালুতে চাপা দেয়া হয় নিহত শিশুদের।

ইতোমধ্যে পুলিশ ওই হত্যাকাণ্ডে জড়িত অভিযোগে প্রধান অভিযুক্ত পঞ্চায়েত আব্দুল আলী উরপে বাগাল, তার ছেলে জুয়েল ও রুবেল একই গ্রামের শাহেদ, সালেহ আহমেদ ছায়েদ, আরজু ও বশির নামে ৭ জনকে গ্রেফতার করে। বর্তমানে সব আসামি হবিগঞ্জ কারাগারে রয়েছেন।

আসামিদের মধ্যে, জুয়েল, রুবেল, আরজু ও শাহেদ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছ। এছাড়া একই মলার আরেক আসামি অটোরিকশা চালক বাচ্চু মিয়া র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে।

 

এমআইএস।