যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় ২৬ বাংলাদেশি নারী-পুরুষ ও শিশুকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা। তবে এ সময় কোনো পাচারকারীকে আটক করতে পারেনি বিজিবি।
বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পৃথক অভিযানে বেনাপোল সীমান্তের সাদিপুর বেলতলা ও বেনাপোল-পুটখালী সড়ক থেকে এদের আটক করা হয়।
আটককৃতা হলেন- যশোর সদরের রবিউল ইসলামের ছেলে মুন্না হোসেন (২০), আদু বিশ্বাসের ছেলে আলম বিশ্বাস (১৮), হারুনর রশিদের ছেলে সামসুল জামান মন্টু (১৭), ময়মনসিংহ ত্রিশাল উপজেলার দুলাল মিয়ার ছেলে সোহেল (২২)।
জামালপুর জেলার বকসিগঞ্জ উপজেলার সাদিক হোসেনের ছেলে রব্বানি (২৩), শরিয়তপুর সদরের আনিসুদ্দির ছেলে সাইদুল (২০), আজিজ খানের ছেলে মাসুম খান (২৪), পালংখানা উপজেলার সোবহান ঘরামির ছেলে পান্নু ঘোরামি (২৮), পালং উপজেলার আসরাফ আলী ঘরামির ছেলে রাসেল ঘরামি (২৬)।
গুকসাই উপজেলার দেওলোয়ার হোসেনের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (২৫), শাহাজান হাওলাদারে ছেলে আব্দুল খালেক হাওলাদার (২০), আবু বক্করের ছেলে ইব্রাহীম (২৩), রউব সরদারের ছেলে সোহেল সরদার (২০), মাদারীপুর জেলার কালকিনী উপজেলার আজিজ রহমানের ছেলে ইমরান খাঁন (২০), বাগেরহাট জেলার মোড়েলগঞ্জের মিজান শেখের স্ত্রী পলি আক্তার (২৫), শিশু আরমান শেখ (০৫)।
খুলনার কয়রা উপজেলার আনসারে ছেলে ফারুক হোসেন (২৮),নারায়ণগঞ্জ সদরের বিল্লাল হোসেনের ছেলে ওমর ফারুক (৪০), মাদারীপুর সদরের আব্দুর রউফ সরদারের ছেলে আব্দুল হায়দার (১৮), দেলগুয়া উপজেলার আকাশের ছেলে আলামিন (২৫) ও রাজবাড়ি সদরের আকবার খানের ছেলে দেলোয়ার খান (২০)।
আটক ইমরান জানান, ভারতের দিল্লিতে ভাল কাজের প্রলোভন দেখিয়ে তার এলাকার এক দালাল মঙ্গলবার রাতে তাকে বেনাপোলের একটি বাড়িতে নিয়ে আসেন। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান আরো ৩৫ থেকে ৪০ জন নারী-পুরুষ রয়েছে।
পরবর্তীতে স্থানীয় দালাল আব্দুর রহিম ও বকুল নামে দু’জন তাদের ভোরে সীমান্ পথে ভারতে পাঠানোর সময় বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া করে। এ সময় দালাল পালিয়ে গেলে ২১ জনকে বিজিবি সদস্যরা আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক মতিউর রহমান জানান, তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ পারাপার আইনে (১১সি) থানায় মামলা দিয়ে আজ দুপুরে তাদের যশোর আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এআই/





