কচুয়া উপজেলায় শিক্ষক লাঞ্ছিত ও শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় যুবলীগ জড়িত নয় বলে দাবি করেছে সংগঠনটি।
তবে সংগঠনের নেতারা এ ঘটনায় তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘যুবলীগে অনুপ্রেবেশকারীরাই এ হামলার সঙ্গে জড়িত।’
চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে বৃহস্পতিবার দুপুরে চাঁদপুর জেলা যুবলীগ এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
সংগঠনের আহবায়ক মিজানুর রহমান ভুঁইয়া কালু সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করনে।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ৭ বছর যুবলীগের কোনো নেতাকর্মী সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়তি না। কচুয়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, সে জন্য আমরা দুঃখিত।’
তিনি বলেন, ‘সরকারের সফলতা দেখে এবং অন্যদল থেকে অনুপ্রবেশ করে যুবলীগের নাম ব্যবহার করেছে তরা। যুবলীগ এ ধরনের কাজে জড়িত নয়।
অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক সালাউদ্দিন মো. বাবর, ঝন্টু দাস, মোহাম্মদ আলী মাঝি, আবু পাটওয়ারী, কচুয়া উপজলো যুবলীগের আহবায়ক নাজমুল আলম স্বপন প্রমুখ।
জাতীয় শোক দিবস পালনের জন্য শুক্রবার রাতে মনির প্রধান, লিটন, ফারুকসহ যুবলীগ নেতাকর্মীরা কচুয়া ভূইয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র সরকারের কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন।
টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তারা শনিবার দুপুরে এসে প্রধান শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও হোস্টেল সুপার ফজলুর রহমানও লঞ্ছিত হন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রবিবার সকালে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। এ সময় যুবলীগ নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের হামলায় অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী আহত হন।
জেআই





