রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীকে রিফাত শরীফ হত্যার পরিকল্পনাকারী উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলন করে হত্যা মামলার প্রধান সাক্ষী থেকে আসামি বনে যাওয়া আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকির সাথে রিফাতের ঝগড়া হয়। ঝগড়ার পরে বোনের ছেলে রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীর কাছে নালিশ দেয়ে খুকি। আর তার প্রতিশোধ নিতে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে হত্যা করে রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজী।
বুধবার দুপুরে বরগুনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন একথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে মিন্নির মা জিনাত জাহান মনি, ছোট বোন ছামিরা মেঘলা ও ছোট ভাই আবদুল মুহিত ক্বাফি উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিন্নির বাবা মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, হত্যাকাণ্ডের আগে রিফাতের সঙ্গে বরগুনা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী সামসুন্নাহার খুকির বাকবিতণ্ডা হয়। বাকবিতণ্ডার বিষয়টি সামসুন্নার খুকি তার বোনের ছেলে দুই রিফাত ফরাজী ও রিশান ফরাজীর কাছে নালিশ করেন।
যেদিন হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়, সেদিন রিফাত ও রিশান ফরাজী বলেছিল, ‘তুই আমার মাকে গালাগাল করেছিস। আমার চোখের দিকে তাকিয়ে কথা বল।’
রিফাত ও রিশান ফরাজী সামসুন্নাহার খুকিকে মা বলে ডাকতেন জানিয়ে মোজাম্মেল হোসেন কিশোর বলেন, ‘আমার ধারণা বাকবিতণ্ডার প্রতিশোধ নিতেই রিফাত ও রিশান ফরাজী রিফাত শরীফকে হত্যার পরিকল্পনা করে ও হত্যাকাণ্ডের অগ্রভাগে থাকে।’
সামসুন্নাহার খুকির সঙ্গে রিফাত শরীফের বাকবিতণ্ডার বিষয়টি রিফাত শরীফ ও মিন্নি তাকে জানিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি।
জেড





