ভারত থেকে নেমে আসা পানির চাপে তিস্তা ব্যারাজ ফ্লাড বাইপাস ভেঙ্গে গেছে। ব্যারাজ রক্ষার্থে রেড এলার্ট জারি করে তিস্তার তীরবর্তী লোকজনদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পানি উন্নয়ন বোর্ড মাইকিং করছেন।
বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ২ টায় তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরও কি পরিমান পানি আসবে এমন তথ্য নেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে।
হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আবু বক্কর সিদ্দিক শ্যামল জানান, তিস্তা নদীর পানি হঠাৎ করে বেড়ে যাওয়ায় বড়খাতা টু হাতীবান্ধা বাইপাস সড়কটি বিভিন্নস্থানে ভেঙ্গে গেছে। এতে তার ইউনিয়নের কয়েক হাজার পরিবার পানিবন্দীসহ গোটা লালমনিরহাট জেলার ৫ উপজেলার তিস্তা তীরবর্তী হাজার হাজার একর ফসলী জমি পানিতে ডুবে গেছে।
জেলা পরিষদ সদস্য শকিল হোসেন জানান, বালু পরে তিস্তা ব্যারাজের গেটগুলো বন্ধ হয়ে গেলেও ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ গেট থেকে বালু সড়িয়ে ফেলেনি। ফলে তিস্তা ফ্লাড বাইপাসে পানির চাপ বেড়ে গিয়ে তা ভেঙ্গে যায়। এতে তিস্তার পানি শহরে ঢুকে পরছে।
লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর বলেন, পানির চাপে তিস্তা ফ্লাড বাইপাস ভেঙ্গে গেছে। এতে তিস্তার তীরবর্তী অঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও ইউএনওদের মাধ্যমে বন্যা পরিস্থিতির খোজখবর নেয়া হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া’র নির্বাহী প্রকৌশলী আসফুদ্দৌলা বলেন, গতকাল মঙ্গলবার রাত থেকে তিস্তার পানি বেড়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়েছে। বুধবার সকাল ৯ টায় ওই পয়েন্টে ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং দুপুর ১২ টায় বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ব্যারজের ফ্লাড বাইপাসটি পানির চাপে ভেঙ্গে গেছে। তিস্তার পানি ক্রমেই বাড়ছে। আরও কি পরিমান পানি আসতে পারে তা ধারনা করা যাচ্ছে না।
নুরনবী/এমবি





