কুড়িগ্রাম শহরের ধরলা সেতুর পশ্চিমপাড়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অর্ধ শতাধিক আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ৩০টি বাড়ি ও ১৫টি দোকানে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ধরলা সেতুর পশ্চিম পাড়ের সওদাগড় পাড়া ও একতা পাড়ার লোকজনের মধ্যে দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। এসময় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

এদিকে, এ ঘটনায় সকাল ৭টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কুড়িগ্রাম-ভুরুঙ্গামারী সড়কে সব ধরণের যান চলাচল বন্ধ থাকে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে শতাধিক রাউন্ড টিয়ার শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় জড়িত থাকায় এ পর্যন্ত ২০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাত ৮টায় শহরের একতাপাড়া ও সওদাগরপাড়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।

এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে আবারও দুই গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে দু’পক্ষের অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের মধ্যে ৩৪ জনকে কুড়িগ্রাম সদর ও রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপার সঞ্জয় কুমার কুণ্ডু ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সদরসহ ৪ থানার অতিরিক্ত পুলিশ ও ৠাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক এ বি এম আজাদ জানান, পরিস্থিতি অবনতির আশঙ্কায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদ্যসদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তাদেরও মোতায়েন করা হবে।

কুড়িগ্রাম, ৩১ জুলাই, টাইমনিউজবিডি.কম, কেবি