ভোলায় নদ-নদীর পানি হঠাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় পাঁচ উপজেলার অন্তত ৩০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো মানুষ।
পানিতে ঘর, ভিটা, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন স্থাপনা তলিয়ে যাওয়ায় উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে পানিবন্দি মানুষ।
রোববার (৩ জুলাই) দুপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানায় মেঘনার পানি বিপদসীমার ৩ দশমিক ৭২ সেন্টিমিটার (সেমি) উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে।
জেলা পাউবোর উপ বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. ইউনুস বলেন, দুপুরে অস্বাভাবিকহারে পানি বৃদ্ধির কারণে বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখানের কয়েকটি পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। তবে বাঁধ মেরামতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, দুপুরের পর থেকে ভোলা সদরের ইলিশা, রাজাপুর, দৌলতখানের হাজিপুর, নেয়ামদপুর, মেদুয়া, ভবানীপুর, মনপুরা উপজেলার মনপুরা ও হাজিহাট ইউনিয়নের কাউয়ারটেক, আন্দির পাড়, দাসেরহাট, নাইবেরহাট, সোনার চর, পূর্ব আন্দির পাড় ও কলাতলীর চর, তজুমদ্দিন উপজেলার চাদপুর, মহাজনকান্দি, হাজিকান্দি, দরিচাঁদপুর, কেয়ামূলা, বালিয়াকান্দি ও ভুলাইকান্দি এবং চরফ্যাশন উপজেলার কুকরী-মুকরী, ঢালচর, চর পাতিলা, মাদ্রাজ ও নজরুল নগরের বেশ কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে।
মনপুরা থেকে জুয়েল জানান, ঈশ্বরগঞ্জ পয়েন্টে বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে গেছে।
পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আক্তার জানান, জরুরি ভিত্তিতে কিছু পয়েন্টের বাঁধ মেরামতের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে।
ওএফ





