চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী আবুল খায়ের পাটওয়ারী তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
এ ছাড়া জাতীয় পার্টির (জাপা) মেয়র প্রার্থী মো. সফিকুল ইসলাম পাটওয়ারীও তাঁর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।
আবুল খায়ের ও সফিকুল ইসলাম—দুজনই আজ রোববার সকালে তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন।
পৌরসভা নির্বাচনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ। আগামীকাল সোমবার থেকে বৈধ প্রার্থীদের জন্য প্রতীক বরাদ্দ করা হবে। এর পরই প্রতীক নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারে নামবেন প্রার্থীরা।
ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন মাহফুজুল হক। তিনি পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। সেখানে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী হয়েছিলেন আবুল খায়ের। তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার।
আজ সকাল ১০টার দিকে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও রিটার্নিং অফিসার বরাবর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেন আবুল খায়ের। পরে এ বিষয়ে জানাতে বেলা ১১টার দিকে ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।
সাংবাদিক সম্মেলনে আবুল খায়ের বলেন, তাঁর বয়স প্রায় ৭০ বছর চলছে। পৌরসভার মতো একটি নির্বাচন করে দল থেকে বহিষ্কার হতে চান না তিনি। চান না হেরে যাওয়ার গ্লানি বইতে।

আবুল খায়েরের ভাষ্য, দলের তৃণমূল থেকে তাঁকেই মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু একটা কুচক্রীমহল তাঁর বিরুদ্ধে থাকায় শেষ পর্যন্ত দলীয় মনোনয়ন পাননি তিনি। দলীয় নেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বলেছেন। এ জন্য তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

মেয়র পদে দলের পক্ষ থেকে যাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, নির্বাচনে তাঁর পক্ষেই কাজ করার কথা জানিয়েছেন আবুল খায়ের।

এদিন সকালে ফরিদগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে জাপার মেয়র প্রার্থী সফিকুল ইসলামও তাঁর মনোনয়পত্র প্রত্যাহার করে নেন। মনোনয়পত্র প্রত্যাহারের বিষয়ে তাঁর কাছ থেকে কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

এমএইচ