গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁ ও শোলাকিয়ায় ঈদগাহে যারা জঙ্গি হামলা চালিয়েছে, তারা জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীদের সন্তান বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক।

জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘জঙ্গিবাদ ও জঙ্গি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতার সপক্ষের ব্যক্তিবর্গের এই মুহূর্তে করণীয়’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ মুক্তি সংঘ ও বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ।

আ ক ম মোজাম্মেল বলেন, জামায়াতের যে সকল নেতা-কর্মী বৃদ্ধ হয়ে গেছে, তারা তাদের সন্তানদের জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশে (জেএমবি) পাঠাচ্ছেন। সেখান থেকে তারা ট্রেনিং নিয়ে এসব কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। জামায়াতকে সমূলে নিষিদ্ধ করলে এ ধরনের হামলার ঘটনা আর ঘটবে না।

বিদেশি রাষ্ট্রের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমাদের দেশে যারা জঙ্গি হামলা করেছে, তাদের আমরা হত্যা করতে সক্ষম হয়েছি। অথচ বিদেশে জঙ্গি হামলা হলে তাদের হত্যা করা তো দূরের কথা, ধরতেও পারে না। কিন্তু তারা আমাদের নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলে।’

তিনি বলেন, ‘মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত- সেটা আগে বিশ্বাস করতাম ও মানতাম। এখন দেখছি মাদ্রাসা নয়, নামিদামি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আর কালো টাকার মালিকের সন্তানেরাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত।’

তিনি আরো বলেন, জঙ্গি কর্মকাণ্ডর সঙ্গে বিদেশিদেরও হাত রয়েছে। তারা নিজেরাই এ সব কর্মকাণ্ড চালায়। পরে আইএস জড়িত বলে ঘোষণা দেয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী মুক্তিযোদ্ধা লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শেখ আহমেদ হোসেন মির্জার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধাকালীন সাব সেক্টর কমান্ডার মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, সাবেক বিচারপতি মো. মমতাজ উদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ইসলামি ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।

এফএফ