ভোলার অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লা রুটে অনিরাপদ সব নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন ও বিআইডব্লিউটিএ।

পরবর্তী নিদের্শ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে রোববার সকাল থেকে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

এর আগে শনিবার বিকেলেও একই আদেশ জারি ছিল।

ভোলার বিআইডব্লিউটিএ’র দায়িত্বরত কর্মকর্তা (ট্রাফিক) মো. নাসিম জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে দূরপাল্লা রুটের ৫৬ ফুটের নিচে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এসব রুটের মধ্যে রয়েছে ভোলা-বরিশাল, বোরহানউদ্দিন-বরিশাল, লালমোহন-কালাইয়া, ভেলুমিয়া-ধূলিয়া, ভোলা-লক্ষীপুর, ভোলা-আলেকজান্ডার।

২ নম্বর সতর্কতা সংকেত চলার কারণে এসব রুটে লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বরিশাল নৌ বন্দরের আদেশে পরবর্তী নিদের্শ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে বলেও জানান তিনি।

এদিকে, দূরপাল্লার রুটের মত ভোলার অভ্যন্তরীণ রুটেও অনিরাপদ সব লঞ্চ-ট্রলার চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। শনিবার বিকাল থেকে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

রুটগুলোর মধ্যে চরফ্যাশন-মনপুরা-ঢালচর, কুকরী-মুকরী, তজুমদ্দিন-মনপুরা-হাতিয়া-চর জহির উদ্দিন, বোরহানউদ্দিন-চর জহির উদ্দিন-মনপুরা, দৌলতখান-হাজিরপুর-মেদুয়া-মদনপুরা, ভোলা-মাঝের চর-মেদুয়া, রামদাসপুরসহ অন্তত ২৫ রুট। এসব রুটে ছোট ছোট লঞ্চ চলাচলের পাশাপাশি ইঞ্জিন চালিত ট্রলার উত্তাল নদী পার হচ্ছে।

ভোলার জেলা প্রশাসক মো. সেলিম রেজা বলেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনিরাপদ লঞ্চ-ট্রলার চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

শনিবার বিকাল থেকেই উপজেলাগুলোর নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর চিঠি পাঠানো হয়েছে। রোববারও একইভাবে নিদের্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যাতে লঞ্চ চলাচল করতে না পারে সে জন্য মোবাইল কোর্ট গঠন করা হয়েছে। পরবর্তী নিদের্শ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।

এদিকে, ভোলার ভেদুরিয়া-বরিশালের লাহারহাট ও ভোলা-বরিশাল রুটের স্পিডবোড চলাচল বন্ধ রয়েছে।

ঢাকা, টাইমনিউজবিডি.কম, জেআই