আশুলিয়ার আল-আমিন নামে এক শ্রমিককে হত্যার অভিযোগ করেছে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের নেতারা।
বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডে সাতটি প্রতিবাদী ও সমমনা শ্রমিক সংগঠনের নেতারা এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন।
শ্রমিক নেতারা আল-আমিনের পরিবারকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ, স্ত্রী-সন্তানকে দেখভাল, ওই কারখানায় শ্রম আইন অনুসারে সব সরকারি ছুটি পালনের দাবি জানান।
বাংলাদেশ সংযুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক মঈন উদ্দিন মন্ডল বলেন, দ্য রোজ ড্রেসেস কারখানা ইন্সপেকশন বিভাগে আল-আমিন কাজ করতেন।
সোমবার আল-আমিন বুকে ব্যথা অনুভব করে। সহকর্মীরা তাকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
চিকিৎসক আমিনকে কয়েকদিন বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দেয়। মঙ্গলবার আল-আমিন কারখানায় ছুটির জন্য গেলে ‘চাকুরিচ্যুতির’ ভয় দেখিয়ে কাজ করাতে বাধ্য করে। কাজ করা অবস্থায় আমিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে কারখানার নার্স তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়। পরে স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
অসুস্থ শ্রমিককে ছুটি না দিয়ে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। অথচ শ্রম আইন অনুসারে অসুস্থতার জন্য ১৪ দিন ছুটি পাওয়ার কথা।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অভিযোগ করেন, ময়নাতদন্ত ছাড়াই মালিক পক্ষের লোকজন গোপনে লাশ আমিনের গ্রামের বাড়ি বগুড়া পাঠিয়ে দিয়েছে।
হত্যার বিচার না হওয়ায় ওই কারখানার শ্রমিকদের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। ক্ষতিপূরণ না দিলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলার হুমকি দেন তারা।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক জোট বাংলাদেশ সভাপতি মাহতাব উদ্দিন শহীদ বলেন, দ্য রোজ ড্রেসেস কারখানা বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম’র।
এছাড়া এর আগেও ওই কারখানায় বহু শ্রমিককে ছুটি না দিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে শ্রমিকরা অভিযোগ করেছেন।
জেএ





