পদ্মায় ডুবে যাওয়া লঞ্চটির ২৫ যাত্রীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থান থেকে এই লাশগুলো উদ্ধার করা হয়।তবে তিন শতাধিক যাত্রী নিয়ে মাওয়ায় আসার পথে লৌহজং চ্যানেলে ডুবে যাওয়ার চারদিনেও শনাক্ত হয়নি পিনাক-৬ লঞ্চটির অবস্থান।
এদিকে এখনো পদ্মা পাড়ে নিখোঁজদের জীবিত অথবা মৃত মুখ দেখতে স্বজনরা ভিড় করেছে মাওয়া ঘাটে। তাদের আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে মাওয়া পাড়।
সকালে উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছে চট্টগ্রাম থেকে আসা বিশেষ জাহাজ কান্ডারি-২।
এ ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ), বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি), নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্ট গার্ডেও সদস্যরা এখনো যৌথভাবে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘নির্ভীক’ ও ‘রুস্তম’ রয়েছে।
এর আগে বুধবার সন্ধা পর্যন্ত সরকারের অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও দক্ষ উদ্ধারকারীরাও চিহ্নিত করতে পারেনি ডুবে যাওয়া পিনাক-৬ লঞ্চটির অবস্থান। ধীর গতির উদ্ধার অভিযানে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে নিখোঁজ যাত্রীদের স্বজনরা। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের মাওয়া ঘাট সড়ক দীর্ঘক্ষণ অবরোধ করে রাখে তারা। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।
গত সোমবার তিনশতাধিক যাত্রী নিয়ে মাওয়া-কাওরাকান্দি রুটের পিনাক-৬ লঞ্চটি মাওয়ায় আসার পথে লৌহজং চ্যানেলে সকাল ১১টার দিকে ডুবে যায়। অতিরিক্ত যাত্রী ও বৈরী আবহাওয়ায় সৃষ্ট তীব্র স্রোতের কবলে পড়ে লঞ্চটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তাৎক্ষণিক ভাবে যাত্রীদের উদ্ধারে ঘাট থেকে খালি লঞ্চ ও স্পিডবোটের মাধ্যমে ১০০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা। এ ঘটনায় স্বজন হারানোর আহাজারিতে ভারি হয়ে উঠেছে মাওয়া লঞ্চঘাট এলাকা।
ঢাকা, ৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





