নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রাজাপুর কওমী মাদরাসার অপহৃত দুই ছাত্রের মধ্যে একজন মুক্তিপনের বিনিময়ে ছাড়া পেলেও অপরজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
এই দুজনসহ গত ১০দিনে নাটোরে কওমী মাদরাসার চার ছাত্র অপহরন এবং এর মধ্যে একজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে।
অপহৃত দুই মাদরাসা ছাত্রের পরিবারের লোকজন জানায়, নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার রাজাপুর বাজারের রফিকুল ইসলামের ছেলে খালেদ সাইফুল্লাহ (১২) ও পাবনার আটঘড়িয়া উপজেলার রামেশ্বরপুর গ্রামের আয়নাল সর্দারের ছেলে আমিনুল হক (১২) দীর্ঘ দিন থেকে রাজাপুর বাজারের কওমী মাদরাসায় লেখাপড়া করে। সোমবার সকালে খালেদ সাইফুল্লাহর বাড়ি থেকে মাদরাসায় রওনা হয়ে ওরা আর ফিরে আসে নাই।
পরে ০১৭১৭-৮৫০৮৯৯ মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে ছেলেদের জীবিত পেতে হলে ০১৯১৫-৩৪৭৯৯৫ বিকাশ নম্বরে তাড়াতাড়ি এক লাখ টাকা পাঠাতে বলা হয়। এ ব্যাপারে অপহৃত মাদরাসা ছাত্রদের পরিবারের পক্ষ থেকে মঙ্গলবার বড়াইগ্রাম থানায় জিডি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিকাশে চাহিদা মতো টাকা পরিশোধ করার পর পাবনার দাশুরিয়া বাজারে চলন্ত মাইক্রোবাস থেকে আমিনুল হককে অপহরনকারীরা নামিয়ে দেয়।
তবে অপর ছাত্র সাইফুল্লাহ এবং তিন সেপ্টেম্বর অপহরন হওয়া নাটোর সদরের লক্ষীপুর খোলাবাড়িয়া কওমী মাদরাসা ছাত্র কাজল (১০) এখনো নিখোঁজ রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নাটোরের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার মুখার্জী বলেন, অপহৃতদের উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।
এসএইচ





