আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে আজ বুধবারও ঘরমুখী মানুষের ঢল দেখা গেছে। আজ ভোর থেকেই গন্তব্যের উদ্দেশে শিমুলিয়া ঘাট এলাকায় যাত্রীদের জড়ো হতে দেখা গেছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের ভিড় বাড়ছে।
নৌ-পরিবহণ মন্ত্রণালয় ঈদে ঘরমুখী যাত্রীদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে ফেরি চলাচলের অনুমতি দিয়েছে। অনুমতি মেলার পর শিমুলিয়া ঘাটে ঘরমুখো মানুষের চাপ বেড়েছে।
স্বজনদের সঙ্গে ঈদ উদযাপনের জন্য করোনার সংক্রমণের ঝুঁকি উপেক্ষা করে ঘাটে নেমেছে মানুষের ঢল। জনস্রোত সামলাতে শিমুলিয়া ঘাটে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন বিজিবি সদস্যেরাও। তবে, তাতে থামেনি মানুষের ঢল।
ঘরমুখী যাত্রীরা সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করার কারণ হিসেবে নানা যুক্তি দেখাচ্ছে। তাদের সবার লক্ষ্য একটাই—যেভাবেই হোক বাড়ি যেতে হবে।
ফেরিঘাটের আশপাশ থেকে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই জেলে নৌকাসহ ট্রলারে যাত্রীরা পদ্মা নদী পার হওয়ার চেষ্টা করে অনেক যাত্রী।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ফেরিঘাটের উপ মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৩টি চলছে। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই নেই। অসচেতন জনগণ ভয়াবহ পরিস্থিতিকে ডেকে নিয়ে আসছে।’
এমআর





