কক্সবাজারের রামু উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচনে সকাল ৮ টা থেকে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। বিকাল ৪ টা পর্যন্ত এ ভোট গ্রহণ চলবে। জামায়াত , আঃলীগ , বিএনপির তৃ-মুখী লড়াইয়ে আজহাড্ডা-হাড্ডি লড়াইয়ের আশা করছে সবাই। তবে এখনও পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

এই নির্বাচনে উপজেলা আওয়ামী লীগের হয়ে রিয়াজউল আলম (মোটর সাইকেল), বিএনপির হয়ে মেরাজ আহমদ মাহিন চৌধুরী (আনারস) এবং জামায়াতের হয়ে সাবেক ভাইসচেয়ারম্যান ফজলুল্লাহ মো. হাসান (ঘোড়া) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

শনিবার বিএনপি ও জামায়াতের নেতা কর্মীরা সরকার দলের ভোট কেন্দ্র দখলের আশঙ্কায় পৃথক সংবাদ সম্মেলন করেছে।

উপজেলার ১১ টি ইউনিয়নের ১ লাখ ৩৯ হাজার ৭৯০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এদের মধ্যে ৭০ হাজার ৮৫২ জন পুরুষ ও ৬৮ হাজার ৯৪৯ জন মহিলা ভোটার রয়েছেন। মোট ভোট কেন্দ্র সংখ্যা ৫০ টি। ভোট কক্ষ রয়েছে ২৭৬ টি।

নির্বাচনে ১৭ টি মোবাইল টীম ও ৭ টি স্ট্রাইকিং ফোর্স মাঠে রয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে পুলিশ, র‌্যাব ও বিজিবি কাজ করছে। নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে একজন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও ১৫ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক মাঠে নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক ও উন্নয়ন) ও রিটার্নিং অফিসার ড. অনুপম সেন।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৩ মার্চ রামু উপজেলা পরিষদ নির্বাচন হয়। এতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব আহমেদুল হক চৌধুরী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার ৪ মাসের মাথায় গত ১১ আগস্ট তিনি মারা যাওয়ায় চেয়ারম্যান পদটি শুন্য হয়। পরে ২১ ডিসেম্বর রামুতে উপ-নির্বাচনের তারিখ ঠিক করে ইসি।

ইআর