রাজশাহীর পদ্মারপাড়ে কলাইয়ের রুটি খেয়ে আলোচনায় আসেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আলোচনার রেশ কাটতে না কাটতেই আবার আলোচনায় এলেন। ওবায়দুল কাদেরের হাতে টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ছানোয়ার হোসেন লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সাধারণ মানুষ জুড়ে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে। ঘটনার পর থেকেই টাঙ্গাইল শহর জুড়ে টক অব দ্য টাউনে পরিণত হয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা জানান, মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের এমন আচরণ খুবই দুঃখজনক। তবে তুচ্ছ ঘটনায় এমপি ছানোয়ারকে মারধর করে লাঞ্ছিত করাটি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নয়, এটি ছিল মূলতই রহস্যজনক রাগের বহির্প্রকাশ। এ লাঞ্ছিত হওয়া ঘটনার পিছনে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যার অন্যতম আসামি সমালোচিত খান পরিবারের আর্শিবাদে নির্বাচিত এমপি ছানোয়ারের সুসর্ম্পক রক্ষানীতি কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কি না এমন প্রশ্নেও জর্জরিত তারা।
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের জানান, এটি একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা আর এটি ঘটেছেও আমাদের কিছু ত্রুটির জন্যই। ওবায়দুল কাদের আমাদের অভিভাবক তিনি আমাদের ভুল ত্রুটির জন্য শাসন করতেই পারেন। এটি নিয়ে আমাদের দলের মধ্যেও কোনো বিতর্ক নেই। এটিকে লাঞ্ছিত হওয়া মনে করার কারণ বলে ভাবছেন না তিনি।
টাঙ্গাইল জেলা জাতীয় পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক ফকির শাহ্ আলম বলেন, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মন্ত্রীর হাতে এমপি লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনাটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ও সর্বোচ্চ ন্যাক্কারজনক ঘটনা। এ ঘটনার পেছনে যে রহস্যই থাকুক না কেন, প্রতিটি দলের নেতাকর্মীর জন্য এটি একটি অশনি সংকেত। এ ঘটনায় শুধু দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণই ঘটেনি, এতে হয়েছে দলের নেতাকর্মী ও নির্বাচিত এলাকাবাসীর অবমূল্যায়ন। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন তিনি।
টাঙ্গাইল-৫ (সদর) আসনের এমপি ছানোয়ার হোসেন এর বাসভবনে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। এছাড়া তার ব্যক্তিগত মুঠোফোন নম্বরে যোগাযোগ করেও তার বক্তব্য গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি।
জারিফ





