সুন্দরবনে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও নিষিদ্ধ মৌসুমে কাকড়া শিকারের অভিযোগে ৫৪ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।
সোমবার সন্ধ্যায় মরাপশুর নদীর কোকিলমনি এলাকা থেকে আটকের পর তাদেরকে রাতেই বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন’র (মংলা) জোনাল কমান্ডার কাজী মেহেদী মাসুদ জানান, বন বিভাগের কাছ থেকে কোন ধরণের অনুমতি না নিয়ে অবৈধভাবে ইঞ্জিন চালিত নৌযান নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে প্রায় অর্ধশতাধিক জেলে। তারা বনের কোকিলমনি এলাকায় অবস্থান নিয়ে কাকড়া আহরণ করছিল। চলতি কাকড়ার প্রজনন মৌসুম চলায় কাকড়া আহরণের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা থাকার পরও তারা ওই এলাকায় কাকড়া ধরছিল। এ কারণে সোমবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদেরকে আটক করে। আটককৃতদেরকে রাতেই বাগেরহাট কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে রাতে আদালত খোলা না থাকায় সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আটক জেলেদের বাড়ি খুলনার দাকোপ, চালনাসহ আশপাশের এলাকায়।
উল্লেখ্য, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস হলো কাকড়ার প্রজজন মৌসুম। সেই ক্ষেত্রে সুন্দরবনের নদী-খালে এ দু’মাস কাকড়া ধরা নিষেধ।
এছাড়া সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ইঞ্জিন চালিত নৌযান নিয়ে প্রবেশে বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও এ সকল জেলেরা আইন অমান্য করে ও বন বিভাগের কাছ থেকে কোন অনুমতিও নেয়নি।
এআই
শীর্ষ নিউজ, মংলা: সুন্দরবনে অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও নিষিদ্ধ মৌসুমে কাকড়া শিকারের অভিযোগে ৫৪ জেলেকে আটক করেছে কোস্টগার্ড।সোমবার সন্ধ্যায় মরাপশুর নদীর কোকিলমনি এলাকা থেকে আটকের পর তাদেরকে রাতেই বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন’র (মংলা) জোনাল কমান্ডার কাজী মেহেদী মাসুদ জানান, বন বিভাগের কাছ থেকে কোন ধরণের অনুমতি না নিয়ে অবৈধভাবে ইঞ্জিন চালিত নৌযান নিয়ে সুন্দরবনে প্রবেশ করে প্রায় অর্ধশতাধিক জেলে। তারা বনের কোকিলমনি এলাকায় অবস্থান নিয়ে কাকড়া আহরণ করছিল। চলতি কাকড়ার প্রজনন মৌসুম চলায় কাকড়া আহরণের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ ঘোষণা থাকার পরও তারা ওই এলাকায় কাকড়া ধরছিল। এ কারণে সোমবার সন্ধ্যায় ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে কোস্টগার্ড সদস্যরা তাদেরকে আটক করে। আটককৃতদেরকে রাতেই বাগেরহাট কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে রাতে আদালত খোলা না থাকায় সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে আটক জেলেদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আটক জেলেদের বাড়ি খুলনার দাকোপ, চালনাসহ আশপাশের এলাকায়।
উল্লেখ্য, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাস হলো কাকড়ার প্রজজন মৌসুম। সেই ক্ষেত্রে সুন্দরবনের নদী-খালে এ দু’মাস কাকড়া ধরা নিষেধ।
এছাড়া সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ইঞ্জিন চালিত নৌযান নিয়ে প্রবেশে বন বিভাগের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও এ সকল জেলেরা আইন অমান্য করে ও বন বিভাগের কাছ থেকে কোন অনুমতিও নেয়নি।





