নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ হাতিয়া উপজেলার চরকিং ইউনিয়নের এর একটি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়েছে একদল দূর্বৃত্ত।

এসময় তারা বিদ্যালয়ের ৮শিক্ষককে কুপিয়ে ও ১২ ছাত্রীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। স্থানীয়রা আহতদেরকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে চরকিং দাসতলা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হচ্ছেন- বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জহিরুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম কাজল, বিরেন্দ্র কুমার দাস, নেভি রানী দাস, সাইফুল ইসলাম, প্রিয় লাল দাস, মাওলানা ফজলুর রহমান, বিদ্যালয়ের পিয়ন আকরাম হোসেন ও বিদ্যালয়ের ছাত্রীসহ ২০ জন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের যৌন হয়রানি করতো বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আকবর সাদেক। এছাড়াও বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি।

এই ঘটনার জের ধরে আকবর সাদেক তার ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী নিয়ে বিদ্যালয়ে অর্তকিত হামলা চালায়। এসময় তারা বিদ্যালয়ের ৮শিক্ষককে কুপিয়ে ও অন্তত ১২জন ছাত্রীকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে।

এসময় হামলাকারীরা বিদ্যালয়ের মুল্যবান কাগজ পত্র, মালামাল ভাঙচুর ও লুটপাট করে নিয়ে যায়।

বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) শিক্ষক ফখরুল ইসলাম কাজল জানান, বহিষ্কৃত সাবেক প্রধান শিক্ষক আকবর সাদেকের নেতৃত্বে একদল বহিরাগত সন্ত্রাসী অতর্কিতভাবে বিদ্যলয়ের অফিস কক্ষে হামলা চালায় এবং শিক্ষক ও ছাত্রীদের এলোপাতাড়ি পিটিয়ে এবং কুপিয়ে জখম করেছে।

হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুল হাসান মো. মহি উদ্দিন জানান, তিনি ৩দিনের প্রশিক্ষণের কাজে হাতিয়ার বাহিরে রয়েছেন। আর এ বিষয়ে কেউ অবগতও করেনি।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিছুল হক জানান, ঘটনাটি আমরা শুনেছি। তবে এ ব্যাপারে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি।

মুজাহিদুল/এসএম