টিকিট বাসের আগাম টিকিট ২১, ট্রেনের ২৬ সেপ্টেম্বর বাসের আগাম টিকিট ২১, ট্রেনের ২৬ সেপ্টেম্বর ঈদুল আজহা ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৬০টির বেশি রুটে বাসের আগাম টিকিট দেয়া হবে ২১ সেপ্টেম্বর থেকে আর ট্রেনের টিকিট দেয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে।
রাজধানীর গাবতলী, কল্যাণপুর ও শ্যামলীর বিভিন্ন কাউন্টার থেকে পরিবহন সার্ভিসগুলো এ টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শনিবার বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র মো. সালাউদ্দিন এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
তিনি আরও জানান, ২১ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বাসের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। সরকার নির্ধারিত যে ভাড়া আছে, তা-ই নেয়া হবে। এর চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা হবে না।
যদি কেউ বেশি ভাড়া নেয়, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব পরিবহণ সংস্থা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ করপোরেশন (বিআরটিসি) তাদের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু করবে ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। শিগগিরই এ বিষয়ে বৈঠক করে জানানো হবে বলে বিআরটিসি সূত্র জানায়।
এদিকে সারাদেশের আন্তঃনগর ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে। চলবে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এছাড়া ৩ অক্টোবর থেকে দেয়া হবে ফিরতি ট্রেনের আগাম টিকিট। বরাবরের মতো এবারো একজন যাত্রী চারটি টিকিট সংগ্রহ করতে পারবে।
প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হবে টিকিট বিক্রি। টিকিট থাকা সাপেক্ষে চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এছাড়া এবাব ঈদেও থাকছে পাঁচ জোড়া বিশেষ ট্রেনের ব্যবস্থা। পাশাপাশি ঈদ-পূজা উপলক্ষে যাত্রীদের চাপ সামলাতে এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে রেলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল এবং যাত্রী নিরপাত্তায় বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
শনিবার রেলপথ মন্ত্রী মো. মুজিবুল হক জানান, ঈদুল আজহা ও দুর্গাপূজা উপলক্ষে এবার ৫ দিন আগ থেকে রেলওয়ের আগাম টিকিট বিক্রি করা হবে। চাঁদ দেখার ভিত্তিতে আগামী ৫ থেকে ৭ অক্টোবরের মধ্যে কোরবানী ঈদের জন্য সরকারি ছুটি শুরু হতে পারে।
এছাড়া হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য আগামী ৪ অক্টোবর দুর্গাপূজার বিজয়ী দশমীর ছুটি রয়েছে। তাই সব মিলিয়ে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে রেলওয়ের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হবে। তাই আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর বিক্রি করা হবে ১ অক্টোবরের যাওয়ার আগাম টিকিট। এভাবে ২৭ সেপ্টেম্বর ২ অক্টোবরের টিকিট, ২৮ সেপ্টেম্বর ৩ অক্টোবরের, ২৯ সেপ্টেম্বর ৪ অক্টোবরের এবং ৩০ সেপ্টেম্বর বিক্রি হবে ৫ অক্টোবরের টিকিট।
এছাড়া ৩ অক্টোবর থেকে শুরু হবে রেলওয়ের আগাম ফিরতি টিকিট বিক্রি। ৩ অক্টোবর বিক্রি হবে ৭ অক্টোবরের ফিরতি টিকিট। ধারাবাহিকভাবে ১১ অক্টোব পর্যন্ত ফিরতি টিকিট বিক্রি করা হবে। প্রতিবারের মতো এবারো একজন চারটির বেশি টিকিট পাবেন না বলে জানান তিনি।
মুজিবুল হক বলেন, ‘বর্তমানে রেলের মোট ৮৪৮টি কোচ রয়েছে। ঈদ-পূজা সামনে রেখে ১৩০টি কোচ মেরামত করা হয়েছে। ১৭৮টি ইঞ্জিন চালু রয়েছে। ঈদ-পূজা সামনে রেখে আরো ৩০টি ইঞ্জিন মেরামত করা হয়েছে। স্বাভাবিক অবস্থায় প্রতিদিন এক লাখ ৮০ হাজার টিকিট বিক্রি হয়ে থাকে। ঈদ-পূজা সামনে রেখে প্রতিদিন সব ট্রেন মিলিয়ে দুই লাখ ৫০ হাজার টিকেট বিক্রি করা হবে।’
এছাড়া ঈদের আগে পাঁচ দিন ও ঈদের পরের সাত দিন ‘ঈদ স্পেশাল ট্রেন সার্ভিসের’ মাধ্যমে বাড়তি সেবা দেয়া হবে। এ সময় অতিরিক্ত কিছু কোচ সংযোজন করা হবে। পাশাপাশি ঈদের তিন দিন আগে থেকে মোট পাঁচ জোড়া স্পেশাল ট্রেন চলবে। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-চাঁদপুর রুটে দুই জোড়া এবং ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ, ঢাকা-পার্বতীপুর ও ঢাকা-খুলনা রুটে এক জোড়া করে ঈদ স্পেশাল ট্রেন চলবে বলে জানান রেলমন্ত্রী।
ঢাকা,১৩ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডি.কম, এএইচ





