মাসুদ ভাট্টির করা মানহানির মামলায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

রোববার (০৮ সেপ্টেম্বর) কেরানিগঞ্জে স্থাপিত ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার বিকেল সাড়ে ৪টায় ব্যারিস্টার মইনুল মুক্তি পান।

মুক্তির তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের আইনজীবী তাহেরুল ইসলাম তৌহিদ।

তৌহিদ বলেন, “আজ পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় মইনুলের জামিন মঞ্জুর করেছেন ঢাকা মহানগর হাকিম তোফাজ্জল হোসেন।”

ব্যারিস্টার মইনুলের আইনজীবী বলেন, “এর আগে গত ৩ সেপ্টেম্বর সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টির দায়ের করা মামলায় তিনি আত্মসমর্পণ করলে বিচারক জামিনের আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।”

গত (২০১৮) বছর ১৬ অক্টোবর রাতে একাত্তর টেলিভিশনের টক শো ‘একাত্তরে জার্নাল’-এ ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনকে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি প্রশ্ন করেন, “জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে আপনি যে হিসেবে উপস্থিত থাকেন- আপনি বলেছেন আপনি নাগরিক হিসেবে উপস্থিত থাকেন। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, আপনি জামায়াতের প্রতিনিধি হয়ে সেখানে উপস্থিত থাকেন।”

মাসুদা ভাট্টির এমন প্রশ্নে রেগে গিয়ে মইনুল হোসেন বলেন, আপনার দুঃসাহসের জন্য আপনাকে “ধন্যবাদ দিচ্ছি। আপনি চরিত্রহীন বলে আমি মনে করতে চাই। আমার সঙ্গে জামায়াতের কানেকশনের কোনো প্রশ্নই নেই। আপনি যে প্রশ্ন করেছেন তা আমার জন্য অত্যন্ত বিব্রতকর।”

এই মন্তব্য নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মানহানির মামলা করেন সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টি। এরপর রংপুরে করা মানহানির এক মামলায় গত (২০১৮) বছরের ২২ অক্টোবর রাত পৌনে ১০টায় রাজধানীর উত্তরায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রবের বাসা থেকে মইনুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়ে কারামুক্ত হন।

এমবি