সিলেটের বিশ্বনাথে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নারীসহ অন্তত অর্ধশতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।
উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের কাদিরপুরে শনিবার দুপুরে রামপাশা ও কাদিপুর গ্রামবাসীর মধ্যে এ ঘটনা ঘটে। এতে জনপ্রতিনিধি ও সালিশি ব্যক্তিও আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় পুলিশ পাঁচজনকে আটক করেছে।
আহতরা হলেন- রামপাশা গ্রামের রামপাশা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার খান, কাওছার আহমদ তুলাই, ফয়জুন নূর, তোরন মিয়া, ইসলাম উদ্দিন, হাফছা বেগম, দিলারা বেগম, সুফিয়া বেগম, শানুর আলী, আবদুস সত্তার, মাহবুব আলম, মুছা, আবদুল হক, সাহেদ, সফি আলম, ইরন মিয়া, ইন্তাজ আলী, মোহাম্মদ, আঙ্গুর মিয়া, লিয়াতক, মুহিব, ছইল মিয়া, আবুল কালাম, আশরাফ, আখলুছ আলী, তৈমছু আলী, বশির, নূরজ্জামান, ইমন, আবুল কালাম, সালিশি ব্যক্তি গয়াছ মিয়া, লেখনদর আলী, হরমুজ আলী ও আবদুল মতিন। অন্য আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হোসেনের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিন রাউন্ড শটগানের গুলি ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্বনাথ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ আসাদুল হক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, সকাল সাড়ে ১০টায় রামপাশা গ্রামের তুরন মিয়ার বোন অন্তঃসত্ত্বা হাফছা বেগমসহ দুই নারী কাদিরপুরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে যান। এ সময় কাদিরপুর গ্রামে শানুর আলীর সঙ্গে হাসপাতালের ভেতরে ওষুধ নিয়ে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে উভয় গ্রামবাসী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত হয়েছেন।
রামপাশা ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার খান বলেন, ‘হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা দুই নারীর ওপর হামলার ঘটনার জের ধরে সংঘর্ষের সূত্রপাত। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যাই। এ সময় আমিও আহত হই।’
এমকে





