পূজা ও ঈদের ছুটিতে যারা বাসা বাড়ি ফাকা রেখে চলে গেছেন, অথবা বাসায় দু' একজন অবস্থান করছেন এমন সব বাড়িতে চুরি ডাকাতি ঠেকাতে কৌশলী ভূমিকায় থাকবে পুলিশ। অপরিচিত বা সন্দেহ হলেই আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করবে পুলিশ।
ফাঁকা রাজধানীর সুযোগে বসতবাড়িতে প্রতি বছরই চুরির ঘটনা ঘটে। তাই এবার এ ধরনের ভিন্নধর্মী পদক্ষেপ নিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। প্রতি বছরই ঈদের আনন্দ উদযাপনের পর ঢাকায় ফিরে শূন্য ঘর দেখতে হয়েছে অনেককে।
জনগণের সম্পদ রক্ষার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে পুলিশ। পুলিশের পাশাপাশি র্যাবের সদস্যরাও জনগণের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এসময় মাঠে থাকবে।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে মিরপুর জোন পুলিশের ডিসি ইমতিয়াজ হোসেন জানান, প্রতিবছর কোনো না কোনো বাসায় চুরির অভিযোগ আসে। এবার তাই আগেভাগেই সতর্ক প্রহরা বসানো হয়েছে। ঈদ ও পূজা উপলক্ষ্যে রাজধানী ছেড়ে গ্রামের বাসায় যাওয়া মানুষের আমানত রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা কাজ করবে।
রমনা জোনের সহকারী কমিশনার (এসি) শিবলী নোমান জানান, জনগণের ‘আমানত’ রক্ষার্থে কমিউনিটি ও বিট পুলিশের সহায়তা নেওয়া হচ্ছে। মালামালের ওপর নজরদারি রয়েছে। এছাড়াও শপিং মল ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকাগুলোতে পুলিশ নিয়মিত টহল দিচ্ছে।
প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীদের ওপরেও নজর রাখছে পুলিশ। পাশাপাশি সড়কগুলোতে পুলিশি চেকপোস্ট দিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করার কথা জানান তিনি।
এব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে গুলশান জোন পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি) লুৎফর কবির জানান, ছুটির সময়গুলোতে যাতে বসতবাড়িগুলোর চুরির ঘটনা না যাতে ঘটে সেজন্য ইউনিফর্ম পরিহিত এবং সাদা পোশাকে পুলিশ সদস্যরা সর্বদা টহল দেবে।
এ বিষয়ে র্যাবের মিডিয়া অ্যান্ড লিগ্যাল উইংয়ের সহকারি পরিচালক মেজর রুম্মান মাহমুদ টাইমনিউজবিডিকে বলেন, শুধু রাজধানীতে নয় সারাদেশে ঈদ ও পূজায় গরে ফেরা মানুষের সেবায় কাজ করছে।
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা রাজধানীকে নিরাপদ রাখতে অধিকাংশ র্যাব সদস্যকে ছুটি দেয়া হয় নি। আবাসিক ভবন, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।
তিনি বলেন, র্যাবের স্বাভাবিক টহলের বাইরে ৪ গুন টহল বাড়ানো হয়েছে। এছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে চেক পোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
ইতোমধ্যে মোহাম্মদপুর থেকে গত রোববার ডাকাতি করতে গিয়ে র্যাবের হাতে ধরা পড়েছেন এক ডাকাত। জনগণের আমানতের নিরাপত্তা দিতে সর্বোচ্চ নজরদারী অব্যাহত থাকবে।
জেইউ





