গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলায় অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী প্রথম পর্যায়ের ননওয়েজ প্রকল্প বাস্তবায়নে নিম্ন মানের নির্মান সামগ্রী, প্রকল্প প্রতি ৬/৮ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন সহব্যাপক দুর্নীতি, অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
জানা যায় ২০১৬-২০১৭ ইং অর্থ বছরের অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কর্মসূচী ননওয়েজ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের মধ্য পবনাপুর ইউনিয়ন ব্যাতীত ৭টি ইউনিয়ন মোট -২৬ টি প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।
এরমধ্যে কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ৮টি প্রকল্পে ইউড্রেন নির্মানে ৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা, হোসেনপুর ইউনিয়নে ৪টি প্রকল্পে ইউড্রেন নির্মানে ২ লক্ষ ৩৩ হাজার টাকা,পলাশবাড়ী ইউনিয়নে ৩ টি প্রকল্পে ইউড্রেন নির্মানে ২ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা, বরিশাল ইউনিয়নে ২টি স্থানে প্যালাসাইটিং ও ১টি স্থানে রিং কালভার্ট নির্মানে ২ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা, মহদীপুর ইউনিয়নে ৪ টি ইউড্রেন নির্মান প্রকল্পে ২ লক্ষ ৫৭ হাজার টাকা, বেতকাপা ইউনিয়নে ৩ টি ইউড্রেন নির্মান প্রকল্পে ২ লক্ষ ৩৫ হাজার টাকা, মনোহরপুর ইউনিয়নে ২ টি ইউড্রেন নির্মান প্রকল্পে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা ও হরিনাথপুর ইউনিয়নে ২ টি ইউড্রেন নির্মানে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। ৮ টি ইউনিয়নে মোট ১৫ লক্ষ ৫৮ হাজার টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়।
সরেজমিন তথ্যানুসন্ধানে দেখা যায় ৫/৬ টি ইউড্রেন নির্মান প্রকল্পে পুরাতন ইউড্রেন এর উপর সিমেন্ট এর প্রলেপ দিয়ে নতুন নির্মান দেখানো হয়েছে। অধিকাংশ ইউড্রেন নির্মান প্রকল্পের প্রাক্কলন প্রস্তুতের সময় ব্যাপক অনিয়ম লক্ষ করা য়ায়। বরাদ্দের সাথে প্রাক্কলের সমদর্শতা নেই।
একটি প্রকল্পে সর্ব নিম্ন ব্যায় নির্ধারন করা হয়েছে ৪৫ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। তবে অধিকাংশ ইউড্রেন নির্মানে ৬০ হাজার টাকার প্রকল্প নির্ধারন ও প্রাক্কলন প্রস্তুত করা হয়েছে। যেসব প্রকল্প ৬০ হাজার টাকায় বাস্তবায়ন করার কথা তা ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকায় সম্পাদন করা হচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে ৩ নম্বর ইট, চিকন রড, ৭ ভাগ বালু ও ১ ভাগ সিমেন্ট ব্যাবহার করে নিম্ন মানের কাজ করা হচ্ছে। শুধু তাই নয় প্রকল্প প্রতি ৬ থেকে ৮ হাজার টাকা উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ রয়েছে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের প্রকৌশলী রাসেল আহম্মেদ এর উপর।
শুধু কি তাই এই প্রকল্পের শ্রমিক দিয়ে টি আর, কাবিখা প্রকল্পের কাজ করে ইউপি সদস্যদের নিকট হতে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ ও তার বিরুদ্ধে রয়েছে। এ ব্যাপারে প্রকৌশলী রাসেল আহম্মেদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় মতামত গ্রহন করা সম্ভব হয় নি।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহিনুর আলম জানান, ননওয়েজ প্রকল্প রাসেল সাহেব দেখেন আপনি ওনার সাথে কথা বলেন।
রুবেল/এমএনজে





