নারয়ণগঞ্জের ফতুল্লার চাঁনমারী মাউরাপট্রি এলাকায় শনিবার ভোরে শিশু সন্তানের সামনে গার্মেন্টকর্মী স্ত্রীকে খুন করে পালিয়েছে রিকশা চালক স্বামী।

নিহতের নাম জোসনা (২৬)। তাদের স্বামী-স্ত্রীর গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ থানার মাহতাবপুর গ্রামে।

নিহতের বড় বোন কুলসুম বেগম জানান, বীরগঞ্জ থানার মাহতাবপুর গ্রামের আয়ুব আলীর ছেলে মানিক। একই গ্রামে তাদের বাড়ি। পারিবারিকভাবে মানিকের সাথে জোসনার ১০ বছর পূর্বে বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাদের একমাত্র পুত্র সন্তান রাকিবের (৬) জন্ম হয়। তারা চাঁনমারী মাউরাপট্রি এলাকার রওশন আরার বাড়িতে ভাড়া থাকে। জোসনা একটি গার্মেন্টে কাজ করে আর স্বামী চাষাঢ়ায় রিকশা চালাত।

কুলসুম জানায়, শনিবার ভোরে জোসনার ছেলে রাকিব এসে আমাকে জানায় তার মার গলায় ডিশ ক্যাবল পেচিয়ে খুন করে তার বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে গেছে। পরে তাদের ঘরে গিয়ে দেখি জোসনার নিথর দেহ বিছানায় পরে আছে। তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায় সময় ঝগড়া হত।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই নাহিদ আহমেদ জানান, জোসনার লাশ উদ্ধার করে শহরের ১০০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে ময়না তদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। যে ক্যাবলটি গলায় পেচিয়ে জোসনাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে সেই ক্যাবলটি উদ্ধার করা হয়েছে। জোসনার স্বামী মানিক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে

ইআর