নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলার নূরপুর মালঞ্চি হাইস্কুলে টাকার বিনিময়ে শিক্ষক নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্ণীতির অভিযোগ উঠেছে।
ইতোপূর্বে ৪টি পদে পঞ্চাশ লক্ষাধিক টাকা লেনদেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্নে এলাকাবাসী প্রতিবাদ করলেও তা কর্ণপাত করেনি ক্ষমতাসীন দলের মনোনিত স্কুল কমিটির সভাপতি ও তার সহযোগিরা।
সম্প্রতি আরো তিনটি পদে বিপুল পরিমাণ টাকার লেনদেনে অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া করতে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ করতে বুধবার বিকেলে সরকারের উর্ধতন মহলের সহযোগিতা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে স্কুলের অভিভাবক ও সচেতন এলাকাবাসী।
এ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষা বোর্ডের মহাপরিচালক, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, দুদক, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে সচেতন অভিভাবক, স্কুল কমিটির সদস্যসহ এলাকাবাসী।
বুধবার বিকালে শহরের একটি মিডিয়া হাউজে সাংবাদিক সম্মেলনে অভিভাবক ও এলাকাবাসীর পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্কুলের অভিভাবক সদস্য আব্দুল আওয়াল।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বাগাতিপাড়া উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি মেহেদী হাসান দোলন ও আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান জেলা কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম রোজ।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, অবৈধভাবে কমিটিতে স্থান পাওয়া দাতা সদস্য জামিলুর রহমান বাবু তৎকালিন নারী সংসদ সদস্যের সুপারিশে এই স্কুলের সভাপতি মনোনিত হন। সে সময় থেকেই তিনি একটি সিন্ডিকেট তৈরি করে স্কুলে শিক্ষক নিয়োগের নামে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাত করেন।
বর্তমানে আবার চারটি পদে নিয়োগের কথা বলে ১৮-২০ জন প্রার্থীর কাছ থেকে প্রায় কোটি টাকা গ্রহন করে আরো ৩ টি পদে নিয়োগ দিতে যাচ্ছে ওই কমিটি। এক্ষেত্রে মেধাবী ও যোগ্যদের বাদ দিয়ে অর্থ লেনদেনে অযোগ্যদের নিয়োগের পায়তারা চলছে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেছেন দুই চাকুরী প্রার্থী।
তাদের দাবী, তারা প্রথমে চাহিদাকৃত টাকা পরিশোধ করলেও পরে আরো অতিরিক্ত টাকা না দেয়ায় তাদের ভাইভা কার্ড প্রদান করা হয়নি।
এদিকে ইউএনও অফিস সূত্রে জানা যায়, এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা স্কুলের সভাপতি ও অভিযোগকারীদের তার দপ্তরে ডেকে পাঠালে অভিযোগকারীরা হাজির হলেও অভিযুক্ত সভাপতি বাবু বিষয়টি কর্ণপাতও করেননি।
এসএইচ





