ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানায় সদ্য যোগদানকারী এ এস আই কবির এবং কনস্টবল কামরুলের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও সাধারন মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে হয়রানীর অভিযোগ উঠেছে। আতঙ্কে থাকতে হচ্ছে সাধারন মানুষদের। এমন কি সাংবাদিকরাও রেহায় পাচ্ছে না তাদের কাছ থেকে।
বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টারদিকে সাংবাদিক এসএম হাবিব রিকসা যোগে নিজ বাসা থেকে কর্মস্থলে আসার সময় তাকেও হয়রানির চেষ্টা করা হয়।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪ টারদিকে সাংবাদিক এসএম হাবিব রিকসা যোগে নিজ বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার সময় আড়পাড়া গ্রামে পৌছলে এএসআই করিব ও কনেষ্টবল কামরুল রিকসাটির গতিরোধ করে। হাবিব কে বলে আপনার কাছে মাদক দ্রব্য আছে। তিনি সাংবাদিক পরিচয় দেবার পরও তাকে বিভিন্ন ভাবে হয়রানির চেষ্টা করে।
সে সময় সাংবাদিক হাবিব মাদক-দ্রব্য নেই বলে চ্যালেঞ্জ করলে পুলিশ তাকে আটকের চেষ্টা করে। ১০-১২ মিনিট কথা কাটাকাটির পর সাদা পোশাকে আরও ৮জন কনষ্টবল এসে রিক্সাটি ঘিরে ধরে। এসময় তাদের ভাব দেখে মনে হয়েছে যে কোন ভাবেই হোক পুলিশ তার কাছ থেকে মাদকদ্রব্য উদ্ধার নাটক করবে।
পরে স্থানীয় গ্রামবাসি আসলে এএসআই কবির তার সঙ্গিয়দের নিয়ে চলে যায়। বিশেষ করে এ এসআই কবির ও কনেষ্টবল কামরুলসহ কয়েকজন কনেষ্টবল প্রতিদিন সাদা পোশাকে সাধারন মানুষ কে ধরে এনে বিভিন্ন ভয় দেখিয়ে টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়। এ রকম একাধিক অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
কালীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, এএসআই কবিরের ঐ সময় কোন ডিউটি ছিল না । তিনি ও কনেষ্টবল কামরুলসহ ৮/১০ জন সাদা পোশাকে মটর সাইকেলে গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন স্থানে এলামেলো ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছিল।
সাংবাদিক হাবিব জানান, বিকাল ৪ টার দিকে এএসআই কবির হোসেন প্রথমে রিকসার সামনে এসে হুংকার দিতে থাকে এই দাড়ান আপনার রিকসায় মাদক দ্রব্য আছে । ড্রাইবার রিক্সা থামালে কনেষ্টবল কামরুল এসে এমন ভাব দেখায় মনে হয় যে কোন মূল্যে সে মাদক উদ্ধারের নাটক করবে । আমি তাদের বলি, এমন কোন কাজ করবেন না যাতে বিষয়টি নিয়ে বিশৃংখলার সৃষ্টি হয়।
এএসআই কবিরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কনেষ্টবল কামরুলের কাছে গোপন সংবাদ ছিল সাংবাদিক হাবিবেব কাছে মাদক দ্রব্য রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে হাবিব চ্যালেঞ্জ করলে ও এলাকার মানুষ আসলে আমরা চলে আসি।
এ বিষয়ে কোটচাদপুর সারকেল এসপির সাথে কথা হলে তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জারিফ





