শনিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল ৪টায় গণভবনে চা-বাগান মালিকদের সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস জানান, আজ বিকাল চারটায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা জানান, আমরা সবাই প্রধানমন্ত্রীর মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছি। প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নেবেন, সাধারণ চা শ্রমিকরা সেটাই মেনে নেবেন।

প্রসঙ্গত, দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার দাবিতে গত ৯ আগস্ট থেকে চার দিন দুই ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করেন চা-শ্রমিকরা। এরপর তারা ১৩ আগস্ট থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি ও বিক্ষোভ করেন। এর মধ্যে কয়েক দফা বৈঠক হলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এরই মধ্যে তারা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করেন।

এরপর ২০ আগস্ট বিকেলে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা, শ্রম অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, বাগান মালিক প্রতিনিধি ও চা-শ্রমিক নেতাদের মধ্যে বৈঠক হয়। বৈঠকে তাদের দৈনিক মজুরি ১৪৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এরপর আন্দোলন প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন চা-শ্রমিক নেতারা। কিন্তু সন্ধ্যার পর ফের তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

এদিকে ওয়ার্কার্স পার্টির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল বলা হয়, চা বাগান মালিকেরা বাসস্থান, আলো, পানি, চিকিৎসাসুবিধা,অবসর ভাতা বা ভবিষ্য তহবিল, বাসাবাড়িতে উৎপাদিত ফলমূল, গৃহায়নের সুবিধাকে দৈনিক মজুরির সঙ্গে যুক্ত করে যে যুক্তি দেখাচ্ছেন তা শ্রম আইনের সুস্পষ্ট লংঘন। আরো বলা হয়, বর্তমানে চা শ্রমিকদের যে মজুরি, বিদ্যমান উচ্চমূল্যের বাজারে কখনই তা জীবন-যাপনের উপযোগী মজুরি হতে পারে না।

এইচএন