কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে নৌকা প্রার্থীর সশস্ত্র ক্যাডারদের হামলায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর অন্তত ১০ জন কর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছে।

এসময় হামলাকারীরা বাড়ি-ঘর, চায়ের দোকান ও মোটরসাইকেল ভাংচুর করে এলাকার সাধারণ ভোটারদের মাঝে ভীতি ও আতংক সৃষ্টি করে তাদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার হুমকি দিয়েছে।

রবিবার দুপুর ১ টার দিকে উপজেলার আড়িয়া ইউনিয়নের লালনগর গ্রামে হামলার এঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, ওই ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিক আল মামুনের সধারন কর্মী ও সমর্থকরা লালনগর বাজারে অবস্থানকালে প্রতিপক্ষ আওয়ামীলীগ সমর্থিত নৌকার প্রার্থী সাইদ আনছারী বিপ্লবের বহিরাগত ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী আনিস, অমূল্য, রাজিব, রাজন, জাহাঙ্গীর, হীরা, কামাল, তুহিন ও জিন্নাহসহ ১৫-২০জন মোটরসাইকেল যোগে এসে সশস্ত্র অবস্থায় তাদের ওপর হামলা করে। এসময় সন্ত্রাসীরা স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিক আল মামুনের সাধারন কর্মী ও সমর্থকদের লোহার রড ও ধারাল অস্ত্র দিয়ে বেধড়ক মারপিট ও কুপিয়ে জখম করে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আগামী ৩১ তারিখে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে।

পরে ওই সকল সন্ত্রাসীরা আড়িয়া ও ঘোগাবাজারে হামলা চালিয়ে একই কায়দায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিক আল মামুনের লোকজনের ওপর হামলা করে এবং তাদের বেধড়ক মারপিট করে। এসময় হামলাকারীরা ৩টি বাড়ি, ৩টি চায়ের দোকান ও একটি মোটরসাইকেল ভাংচুর করে।

সন্ত্রাসীদের হামলায় অন্তত ১০জন আহত হলে তাদের মধ্যে আব্দুল হান্নান (৫০), আব্দুর রাজ্জাক (৪০), ফারুক (২৫), কছিম উদ্দিন (৫৫), লুৎফর (৪৫), রাজা (৩৫), কমেট (২৮) ও জলিল (৬০) কে কুষ্টিয়া ও দৌলতপুর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলার ঘটনায় স্বতন্ত্র প্রার্থী তারিক আল মামুন জানান, বিনা কারণে আমার খেটে খাওয়া সাধারণ ভোটারদের ওপর নৌকা প্রার্থীর সশস্ত্র ক্যাডাররা হামলা চালিয়ে তাদের বেধড়ক মারপিট করেছে এবং ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য হুমকি দিয়েছে। এমনকি হামলার ঘটনায় দৌলতপুর থানায় মামলা দিতে গেলে পুলিশ মামলাও নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এবিষয়ে দৌলতপুর থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুজ্জামান চাকলাদার জানান, বর্তমানে আমরা আড়িয়া ইউনিয়নে অবস্থান করছি এবং এখানকার এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। আর মামলা না নেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

 

এমআইএস