রামপাল কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্পসহ সুন্দরবনবিনাশী সব চুক্তি বাতিল ও বিদ্যুৎ-গ্যাস সমস্যা সমাধানে ৭ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির ডাকা অর্ধদিবস হরতালের সমর্থনে মিছিল করেছেন সমর্তকরা।
রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় সকালে মিছিল করতে দেখা যায় হরতাল সমর্থকদের।এদিকে রাজধানীর শাহবাগে হরতাল সমর্থকদের ওপর পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে। এ সময় কয়েকজন হরতাল সমর্থক আহত হয়েছেন। পরে হরতালকারীরা পল্টন মোড়ের দিকে চলে যান।
বুধবার তেল-গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ও সদস্য সচিব অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ এক বিবৃতিতে এ হরতাল ও বিক্ষোভের ঘোষণা দেন।
বিবৃতিতে আনু মুহাম্মদ বলেন, রামপাল কয়লা প্রকল্প বাতিলসহ বিদ্যুৎ ও গ্যাস সমস্যা সমাধানের জন্য ৭ দফা বাস্তবায়নে লংমার্চ, প্রতিবাদ-বিক্ষোভ, মহাসমাবেশসহ নানা কর্মসূচি পালন করলেও সরকার সুন্দরবনের জন্য ক্ষতিকর নানা তৎপরতা চালাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে হরতাল পালনের কর্মসূচি দিয়েছি।
বিবৃতিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবারের হরতাল ক্ষমতার সংকীর্ণ সংঘাতে সম্পদ ধ্বংসের নয় বরং সম্পদ রক্ষা-সম্পদ সৃষ্টি ও বাংলাদেশ রক্ষার। এ হরতাল জ্বালাও-পোড়াও নয়, মানুষের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণের।
বিবৃতিতে ঢাকা মহানগরীর সব প্রতিষ্ঠান, যান্ত্রিক পরিবহন ও ব্যক্তিগত কাজ বৃহস্পতিবার বেলা ২টা পর্যন্ত বন্ধ রেখে শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল পালন করে সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনে শরীক হতে রাজধানীবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
তবে পথচারী, সাইকেল-রিকশা-ভ্যান, অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমসহ বিদ্যুৎ-ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি, কাঁচা বাজার, ওষুধের দোকান হরতালের আওতামুক্ত থাকবে।
এদিকে হরতালে সমর্থন জানিয়েছে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)। দল দুটি পৃথক বিবৃতিতে হরতালের সমর্থন জানায়।
এমই





