একের পর এক ফ্লাইট বাতিলে ৩ হাজার ৯৯১ হজযাত্রীর সৌদি আরব যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। রোববার দুপুরে বিমানের বলাকা অফিসে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘যাত্রী সংকটে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বাংলাদেশ বিমান এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৯৯১ হজযাত্রী বহন করতে পারেনি। এসব যাত্রীকে সৌদি পাঠানোর জন্য আরও ৮টি নতুন স্লট বরাদ্দের আবেদন করেছি। বরাদ্দ পাওয়া গেলে তাদের সৌদি আরবে পাঠানো সম্ভব হবে।’
শাকিল মেরাজ জানান, যাত্রীদের সময়মতো সৌদি পৌঁছাতে আমরা সকল প্রস্তুতি নিয়েছি। ইতোমধ্যে ঢাকা-দোহা রুটের নিয়মিত সব ফ্লাইট ও ঢাকা-লন্ডন রুটের চারটির একটি নিয়মিত ফ্লাইট রোববার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা বিমান নিয়ে বসে আছি। কিন্তু, এজেন্সিগুলো যাত্রী দিচ্ছে না। যাত্রীর অভাবে নতুন বরাদ্দকৃত দুটি ফ্লাইট স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছি। এজেন্সিগুলো কী কারণে যাত্রী দিচ্ছে না, বুঝতে পারছি না।’
শাকিল মেরাজ বলেন, ‘ইতোমধ্যে বাংলাদেশ বিমানের প্রায় ৪০ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের এত বড় ক্ষতির দায় নেবে কে?’ তিনি বলেন, ‘এখনও হজ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত সবাই সহযোগিতা করলে এ সমস্যার সমাধান হবে।’
উল্লেখ্য, ভিসা জটিলতায় যাত্রী সংকটে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও সৌদি এয়ারলাইন্সের মোট ২৫টি হজ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে ২১টি বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের আর বাকি ৪টি সৌদি এয়ারলাইন্সের।
এ বছর সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় মোট হজযাত্রীর সংখ্যা ১ লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জন। হজযাত্রীদের সৌদি আরবে যাত্রার প্রথম ফ্লাইট পৌঁছে ২৪ জুলাই। শেষ ফ্লাইট যাবে ২৮ আগস্ট।
ফিরতি ফ্লাইট শুরু হবে ৬ সেপ্টেম্বর ও শেষ ফিরতি ফ্লাইট ৫ অক্টোবর বাংলাদেশে আসবে। এ বছর চাঁদ দেখা সাপেক্ষে হজ অনুষ্ঠিত হবে ১ সেপ্টেম্বর।
এমএনজে





