মেহেরপুর দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের চরমপন্থি সংগঠন তালেব বাহিনীর দ্বিতীয় কমান্ডার শীর্ষ সন্ত্রাসী আলীমদ্দিনকে (৩৫) হাতবোমা, পিস্তল, গুলি ও বোমা তৈরির সরঞ্জামসহ আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে তাকে পিরোজপুর গ্রামের একটি চায়ের দোকানে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়।
আটক আলীমদ্দিন সদর উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের কবিল উদ্দিনের ছেলে। তার নামে মেহেরপুর সদর, গাংনী থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ চারটি মামলা রয়েছে।
মেহেরপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী জানান, মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবীবের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পিরোজপুর গ্রামে অভিযান চালায়। এ সময় ওই গ্রামের একটি চায়ের দোকান থেকে আলীমদ্দিনকে আটক করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার ভোরে তার বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ সদস্যরা।
অভিযান চালিয়ে তার বাড়ি থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, পাচঁটি শক্তিশালী হাত বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও দেশিয় তৈরি দু’টি ধারালো চাকু উদ্ধার করা হয়েছে। আলিমদ্দীনকে মেহেরপুর সদর থানা হাজতে রাখা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, আলীমদ্দিন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ চরমপন্থি সংগঠন তালেব বাহিনীর সেকেন্ড-ইন কমান্ড হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তার নেতৃত্বে তালেব বাহিনীর সদস্যরা এলাকায় মোবাইল ফোনে চাঁদাবাজি, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাইসহ নানা ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলো। তার নামে থানায় হত্যা ও ডাকাতিসহ চারটি মামলা রয়েছে।
শনিবার আলিমদ্দিনকে মেহেরপুর থানায় অস্ত্র আইনের ১৯৭৮ সালের ১৯- ক ধারায় ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ১৯০৮ সালের ৪ ধারায় দু’টি মামলা দিয়ে আদালতে হাজির করা হবে বলে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ।
কেএইচ





