বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. নসরুল হামিদ বিপু বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং জননেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে ২০২১ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি ঘরে স্বল্প খরচে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিদ্যুৎ ব্যবস্থার দ্রুত উন্নয়নের জন্য দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরকার অগ্রাধিকার প্রকল্পের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পাওয়ার প্লান্ট স্থাপন করে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, দেশের চাহিদা পূরণের জন্য সরকার জাপান, মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকেও বিদ্যুৎ আমদানি করছে।’

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, ‘দেশে যে বিদ্যুতের সংকট নেই, তা বলা যাবে না। বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে ১১ হাজার মেগাওয়াট। তবে বিদ্যুৎ সংকট কাটিয়ে উঠার লক্ষ্য নিয়ে সরকার বিদ্যুৎ ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।’
 
সোমবার টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে বিনামূল্যে সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কুমুদিনী হাসপাতাল ও কুমুদিনী কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন নসরুল হামিদ বিপু।

সকাল ৯টায় প্রতিমন্ত্রী হেলিকপ্টার যোগে মির্জাপুরে কুমুদিনী হেলিপ্যাডে নামলে কুমদিনী ওয়েল ফেয়ার টাস্ট্রের নির্বাহী ব্যবস্থাপক রাজিব প্রসাদ সাহা তাকে ফুলের শুভেচ্ছা জানান। এরপর প্রতিমন্ত্রী কুমুদিনী হাসপাতাল, নার্সিং স্কুল ও বিএসসি নার্সিং কলেজ, ভারতেশ্বরী হোমস, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ, ল্যাবরেটরিসহ কুমুদিনী কমপ্লেক্সে বিদেশি ও দেশি অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং কুমুদিনীর বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শনের সময় ভারতেশ্বরী হোমস, নার্সিং স্কুল ও কলেজ এবং মেডিক্যাল কলেজের ছাত্রীরা প্রতিমন্ত্রীকে সংবর্ধনা জানান।
 

এসময় প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নাসরিন সুলতানা, টাঙ্গাইল জেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার অসিম কুমার দাস, মির্জাপুর উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জোনাল অফিসের উপ মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) ডি এইচ এম ওয়াহিদুল হক, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এম এ হালিম, কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. দুলাল চন্দ্র পোদ্দার, সহকারী প্রশাসক সৈয়দ হায়দার আলী, মির্জাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রশিদ, ভারতেশ্বরী হোমসের প্রিন্সিপাল মিসেস প্রতিভা হালদার, ভাইস প্রিন্সিপাল উলফাতুন নেছা, যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এন আই আহমেদ সৈকত প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জেআই