বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টের ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে যাতায়াতের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে এবং পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়ম প্রতিরোধে চালু হতে যাচ্ছে ফিঙ্গার প্রিন্ট সিস্টেম।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর শরীফ বলেন, খুব দ্রুতই ইমিগ্রেশন ভবনে পাসপোর্টের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ফিঙ্গার প্রিন্ট সিস্টেম চালু করা হচ্ছে। যার পাসপোর্ট তিনি ইমিগ্রেশন পুলিশ ডেক্সের সামনে উপস্থিত হয়ে ফিঙ্গার প্রিন্ট দেবেন। ওই ফিঙ্গার প্রিন্টের মাধ্যমে পাসপোর্টের বিস্তারিত তথ্য কমপিউটারে সাপোর্ট করবে। ফিঙ্গার প্রিন্ট ছাড়া কোনোভাবেই কোনো পাসপোর্টধারী যেতে পারবেন না।

তিনি বলেন, এর ফলে পুরোপুরি স্বচ্ছতার সঙ্গে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। কোনো অনিয়মের সুযোগ আর থাকবে না। যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হওয়ায় এপথে দুই দেশের মধ্যে ব্যবসা, চিকিৎসা, বেড়ানো ও কূটনৈতিক কাজে দেশি-বিদেশি মানুষের যাতায়াত বেশি হয়। আগামী দিনে যাত্রীসেবা বাড়াতে আরো আধুনিকতর পদ্ধতি সংযুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত বিভিন্ন প্রয়োজনে বাংলাদেশ থেকে ভারতে গেছেন ৭ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৫ জন দেশি-বিদেশি পাসোপার্টধারী যাত্রী। এদের মধ্যে বাংলাদেশি ৬ লাখ ৭১ হাজার ২৮৭ জন, ভারতীয় ৮৫ হাজার ৫৫১, অন্যান্য দেশের ১ হাজার ৪৭ জন। আর ভারত থেকে বাংলাদেশে আগমন করেছেন ৭ লাখ ১৩ হাজার ৯৭০ জন যাত্রী। এদের মধ্যে বাংলাদেশি ৬ লাখ ২৪ হাজার ২২২ জন, ভারতীয় ৮৭ হাজার এবং অনান্য দেশের ২ হাজার ৭৪৮ জন।

বেনাপোল স্থল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) রেজাউল ইসলাম বলেন, যাত্রী সেবা বাড়াতে প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল ভবনের সব সেবা খুব দ্রুত চালু করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

নাছির/এমবি