ভোলা জেলা ছাত্র দলের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মাসুদের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, নারী কেলেঙ্কারী ও অসামাজিক কার্যকলাপের ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।

আন্দোলন সংগ্রামে সময় না দিয়ে ছাত্র দলের এ নেতা মাদক ব্যবসা ও সংখ্যালঘু নারীদের নিয়ে নানা ধরনের আমোদ প্রমোদে মেতে উঠেছে বলে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে গুঞ্জন চলছে।

খোজ নিয়ে জানাগেছে, সম্প্রতি ঢাকা থেকে গ্রেফতার হওয়ার পর জেল খেটে জামিনে বেরিয়ে মাসুদ আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

দলের কর্মীরা অভিযোগ করেন, ভোলা শহরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী জনৈক অজয়ের বাসা বাড়িতে হানা দিয়ে তার স্ত্রীকে দিনের পর দিন নির্যাতন চালাচ্ছে এ নেতা।

এ ধরনের অপকর্মের বিরোধীতা করায় মাসুদের লোকেরা স্বর্ণ ব্যবসায়ী অজয়কে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করেছে বলে জানাগেছে।

ভোলার মেয়র মনিরুজ্জামান মনির ছাত্রদল নেতা মাসুদকে শহরে মাদক ব্যবসা না করতে বার বার অনুরোধ করলেও মাসুদ কারও কোন বারন মানছেন না।

বাবা ডাঃ মাহাবুবুর রহমান ছেলেকে সঠিক পথে আনতে গিয়েও অপদস্ত হয়েছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানিয়েছে।

মাসুদের নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবারের ঐ গৃহিনী সংসার ও সন্তানদের স্বার্থ বিবেচনা করে তার সমস্ত নিপীড়ন মুখ বুঝে সহ্য করছেন।

শহরের মাদক সেবীরা সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলেই মুসলিম পাড়া, ওয়েস্টার্ন পাড়ার রিজার্ভ পাড় ও উকিল পাড়ার বিভিন্ন এলাকায় মাসুদের নেতৃত্বে মাদক বিক্রির হাট বসায় বলে শহরের সুশীল সমাজের মধ্যে সমালোচনার অন্ত নেই।

এ বিষয়ে জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ফারুক মিয়া বলেন, মাসুদের ব্যক্তিগত চরিত্রের সাথে দলীয় কর্মকান্ডের কোন সম্পর্ক নেই।

জেলা বিএনপি’র সভাপতি গোলাম নবী আলমগীরের কাছেও মাসুদ সম্পর্কে পাহাড়সম অভিযোগের স্তুপ জমে আছে। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মাসুদের সাথে সংবাদ কর্মীরা আলাপ করলে তিনি বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা আমার সামাজিক সম্মানহানী করতে এ ধরনের মিথ্যে অপবাদ ছড়াচ্ছে।

এসএইচ