যশোরের ঝিকরগাছার সাদীপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম হত্যা মামলায় নির্বাসখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিসহ পাঁচজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আটজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বুধবার বিকেলে স্পেশাল জজ (জেলা জজ) আদালতের বিচারক নিতাই চন্দ্র সাহা এ সাজা দিয়েছেন। সরকার পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেছেন স্পেশাল পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- ঝিকরগাছার সাদীপুর গ্রামের মৃত মোবারক দফাদারের ছেলে নির্বাসখোলা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আমির হোসেন, বল্লা গ্রামের রজব আলীর ছেলে তাইজেল ওরফে তরিকুল ইসলাম, মৃত করিম বক্স মোড়লের ছেলে সাদেক ওরফে ঠুটে সাদেক, মণিরামপুরের কায়েমকোল গ্রামের অলি মাঝির ছেলে শামছুল ওরফে শামছুল ও সদর উপজেলার রুদ্রপুর গ্রামের ইমান আলীর ছেলে ইসমাইল হোসেন।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ১৯৯৭ সালের ১২ জানুয়ারি সন্ধ্যায় বল্লাবাজার হাইস্কুল মাঠে টেপির বাওড় নিয়ে বিরোধ মীমাংসার জন্য একটি শালিস বসে। শালিস চলাকালে রাত সাড়ে ৯টার দিকে একদল লোক সিরাজুল ইসলামকে কুপিয়ে জখম করে। সিরাজুল পালানোর চেষ্টা করলে তাকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

এ ব্যাপারে নিহতের ভাই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ৭/৮ জনকে আসমি করে হত্যা মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে ১৯৯৮ সালের ২ মে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আসলাম খান। দীর্ঘ সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক পাঁচজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যেককে ২ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

এমই