সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে সৈয়দ হক শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
ফুসফুসে জটিলতার জন্য তিনি চিকিৎসা করাতে যুক্তরাজ্যে গেলে ক্যান্সার ধরা পড়ে। লন্ডনের রয়্যাল মার্সডেনে চিকিৎসা নেন।
পরে চিকিৎসকরা তার আশা ছেড়ে দেন। সৈয়দ হক দেশে ফিরে আসেন ১ সেপ্টেম্বর। পরে তিনি ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন। গত ১০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শামসুল হককে হাসপাতালে দেখে এসে তার চিকিৎসার ব্যয়ভার নেওয়ার ঘোষণা দেন।
এরই মধ্যে আজ (বুধবার) বিকেলে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
উল্লেখ্য, ১৯৩৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর জন্ম নেওয়া সৈয়দ শামসুল হক কবিতা, উপন্যাস, নাটক, ছোটগল্পসহ সাহিত্যের সব শাখায় সফল, দীপ্ত পদচারণা করেছেন। এ যোগ্যতা তাকে বাংলা সাহিত্যের জীবিত কিংবদন্তিতে পরিণত করে। এনে দেয় ‘সব্যসাচী লেখক’-এর মর্যাদা।
সৈয়দ হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমী পুরস্কার পান। সবচেয়ে কমবয়সে এ পুরস্কার পাওয়ার মর্যাদা অর্জন করেন তিনি।
সৈয়দ শামসুল হকের প্রথম লেখা প্রকাশিত হয় ১৯৫১ সালের মে মাসে। ফজলে লোহানী সম্পাদিত ‘অগত্যা’ পত্রিকায় ‘উদয়াস্ত’ নামে তার একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
এসএম





