এক সপ্তাহ পর মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়া জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের কবর জিয়ারত করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।
শুক্রবার সকাল নয়টার দিকে শেরপুরে কবর জিয়ারত শেষে দুপুর ১২টার পর আবার ঢাকায় ফিরে আসেন তারা।
কামারুজ্জামানের স্ত্রী, ঢাকায় বসবাসরত কামারুজ্জামানের তিন ছেলে, এক মেয়ে এবং অন্যান্য আত্মীয়স্বজন কবর জিয়ারতে যান।
কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল ওয়ামী বলেন, আমরা আব্বার জানাজায় অংশ নিতে পারিনি। তাই আজ আমরা তার কবর জিয়ারতে গিয়েছিলাম।
ওয়ামি বলেন, আমরা সেখানে খুব বেশি সময় অবস্থান করিনি। আমরা যাবার সাথে সাথে সেখানে মানুষের ভিড় বাড়ছিল। অনেকে আমাদের সাথে কবর জিয়ারতে অংশ নেন।
কামারুজ্জামানের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয় গত ১১ এপ্রিল শনিবার রাতে। প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে রবিবার ভোররাতে কামারুজ্জামানের ইচ্ছা অনুযায়ী শেরপুরের বাজিতখিলায় তারই প্রতিষ্ঠিত কুমরী এতিমখানার পাশে তাকে দাফন করা হয়। নিরাপত্তাজনিত কারণে সে সময় তাঁর পরিবারের সদস্যরা দাফন-কাফনে অংশ নিতে পারেননি।
জেআই





