শনিবার নবীগঞ্জ আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
ওই দিন সকালে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রকল্পগুলো হলো- নবীগঞ্জের বিবিয়ানা গ্যাস ফিল্ড সম্প্রসারণ প্রকল্প, বিবিয়ানা-ধনুয়া ৩৬ ইঞ্চি গ্যাসবিশিষ্ট উচ্চ চাপ পাইপ সঞ্চালন লাইন, বিবিয়ানা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট-০২ (৩৪১ মেগাওয়াট), ঢাকা-সিলেট জাতীয় মহাসড়ক (এন-২) হাইওয়ে থেকে বিবিয়ানা পাওয়ার প্ল্যান্ট সংযোগ সড়ক এবং ফায়ার সার্ভিস ও ডিফেন্স স্টেশন চালু।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বিবিয়ানা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট- ০১ (দক্ষিণ, ৩৮৩ মেগাওয়াট), বিবিয়ানা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট- ০৩ (উত্তর, ৪০০ মেগাওয়াট) ও বিজনাই ব্রিজ, নবীগঞ্জ (রসুলপুর-রইছগঞ্জ-পানিউমদা রাস্তায় ৯০.১০০ মিটার গার্ডার আরসিসি নির্মাণ) এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।
এদিকে, ইনাতগঞ্জ ও দীঘলবাকের গ্যাস ইউনিয়নবাসীসহ নবীগঞ্জের ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের গণদাবিতে রূপ নিয়েছে। তা বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী আশানুরূপ বক্তব্য দিয়ে জনদাবির বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবেন বলে আশা এলাকাবসীর।
নবীগঞ্জের রাজনৈতিক মতাদর্শ ভুলে গিয়ে একমঞ্চে দাঁড়িয়ে এক দফা দাবি ঘরে ঘরে গ্যাস চাই আন্দোলন চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এতে নবীগঞ্জের আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা অংশ নিয়ে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে।
ইতিমধ্যে এলাকাবাসী এ দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে। এ ছাড়া জে, কে হাইস্কুল, নবীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ সরকারিকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতিকরণে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল নির্মাণসহ আধুনিক সুযোগ সুবিধা প্রদান এবং পশ্চাৎপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা নবীগঞ্জবাসীর দীর্ঘদিনের প্রাণের দাবি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিরোধী দলের নেত্রী থাকাকালে সর্বশেষ ২০০২ সালের ১ অক্টোবর নবীগঞ্জে এসেছিলেন। তৎকালীন এক জনসভায় ভাষনদানকালে তিনি ক্ষমতায় গেলে নবীগঞ্জের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। একটি স্কুল ও একটি কলেজ সরকারিকরণের আশ্বাসও দেন।
দীর্ঘ ১২ বছর পর দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা শনিবার নবীগঞ্জে আসছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে নবীগঞ্জের উন্নয়নে আশার আলো দেখছে এলাকাবাসী।
জেএ





