স্বাধীনতাপূর্বের ছাত্রলীগের স্মৃতিচারণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাবা যখন জেলে ছিলেন, তখন এই ছাত্রলীগ আমার মা পরিচালনা করেছেন। যখন দেশের পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেত, নেতাকর্মীরা আসতে পারতো না, তখন তিনি নিজেই ছদ্মবেশ ধারন করে তাদের সাথে দেখা করে বাবার দেয়া নির্দেশনা দিয়ে আসতেন।
আজ শনিবার সন্ধ্যায় গণবভনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আন্দোলন কিভাবে করতে হয়, কিভাবে সফল করতে হয়, আমি যদি কিছু শিখে থাকি তা আমার মায়ের কাছ থেকেই শিখেছি। বাবা যখনই আন্দোলন সংগ্রাম করতেন, তখনই কারাগারে।
কারাগারে যখন আমরা বাবার সাথে দেখা করতাম, তখন মা একবারও কোন হতাশার কথা বলেনি, কখনই বলেনি কিভাবে সংসার চালাবো। তিনি বলেছেন, আমাদের নিয়ে আপনার কোন চিন্তা করতে হবে না। যা কিছু করার আমি নিজেই করবো। এই যে পাশে থেকে একটা শক্তি যোগানো, সাহস যোগানো, মা সেটা করতেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশ স্বাধীনের মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সাজিয়ে দিয়ে গেছেন। কিভাবে দেশ এগিয়ে যাবে, তা ঠিক করে দিয়েছিলেন। জেলা ভাগ করে নতুন মহকুমা গড়ে তুলেছিলেন। প্রশাসনিক কাঠামো সুবিন্যাস করেছিলেন।
বক্তব্যের আগে প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগ প্রকাশিত ম্যাগাজিন ‘জয়বাংলা’র মোড়ক উন্মোচন করেন।
এএস





