পাবনার ঐতিহ্যবাহী ইছামতি নদী উদ্ধার এখন পাবনাবাসীর সময়ের দাবী। এ দাবী আদায়ের লক্ষে সর্বস্তরের মানুষ ঐক্যবদ্ধ ভাবে সামাজিক আন্দোলনের পথে এগুচ্ছে। দীর্ঘ দিন ধরে পাবনাবাসী ইছামতি নদী দখলমূক্ত করে পূণঃখননের দাবীতে আন্দোলন করে আসছে। প্রভাবশালীদের দৌরাত্মে সে আন্দোলন মাঝপথে থেমে যায়।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে নদী রক্ষা ও মানুষের সুস্থ্য জীবনে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে আন্দোলন এখন পাবনাবাসীর জন্য সময়ের দাবীতে পরিণত হয়েছে।
সম্প্রতি ‘ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষকে নিয়ে ‘ইছামতি নদী বাঁচাও’ শ্লোগান সামনে রেখে আন্দোলনের মাঠে নেমেছে।

রোটারী ক্লাব অব পাবনা নিউসিটির মাসিক সভায়ও ইছামতি নদী সংস্করের দাবী করা হয়েছে। এসব দাবী নিয়ে আন্দোলনের ফলাফল কী দাঁড়াবে তা সময়ই বলে দিবে।

গত ২৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১ টায় পাবনা শহরের আব্দুল হামিদ সড়কে ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলনের উদ্যাগে ১০ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষে মানবন্ধন, র‌্যালি ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

এ কর্মসূচীতে পাবনা জেলা স্কুলের শিক্ষার্থীরাও ব্যানার নিয়ে অংশ নেয়। এ আন্দোলনের একটাই দাবী তা হলো, ‘ইছামতি নদী বাঁচাও’। এ সময় মানববন্ধন কর্মসূচীতে পাবনা জেলা পরিষদ প্রশাসক এম সাইদুল হক চুন্নু প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইছামতি নদী উদ্ধার আন্দোলনে পাবনাবাসীকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

একজন সচেতন ও বিবেকবান মানুষ কখনোই নদীর দৃশ্যমান এমন বেহাল দশা মেনে নিতে পারেনা। যেমন মেনে নিতে পারেন নি পাবনা জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো। তিনি পাবনায় যোগদানের পর তার অফিস থেকে বাসভবনে যাওয়ার পথে ইছামতি নদীকে স্রেফ একটি নরদমা মনে করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যবসত তিনি এই নরদমাটির বেহাল অবস্থা দেখে তার গাড়ির চালকের কাছে জানতে চান, আর তখনই অবগত হন এটি একটি মরা নদী। যা ইছামতি নদী নামে পরিচিত।

পাবনার মত একটি ঐতিহ্যবাহী শহরের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি নদীর এমন বেহাল দশা মেনে নিতে পারেন নি তিনি। তাই বিবেকের তাড়নায় তিনি ‘ইছামতি নদী বাঁচাও’ শিরোনামে গত সেপ্টেম্বর মাসে একটি সভা আহবান করেন। সেই সভায় উপস্থিত পাবনার বরেণ্য ব্যাক্তিদের সাথে ইছামতি নদীটি রক্ষা করার বিষয়ে মতবিনিময় করেন এবং নদীটি কিভাবে বাঁচানো যেতে পারে সে জন্য সবাইকে এগিয়ে আহবান জানান।
সেই সভায় জেলা প্রশাসকের আহবানে সাড়া দিয়ে পাবনার বিশেষ করে সংবাদ কর্মীরা ইছামতি নদী রক্ষায় কলমের যুদ্ধ শুরু করেন।

তাদের কলমে পাবনা জেলা প্রশাসকের ইছামতি বাঁচাও আহবানের সংবাদ দেশের বহুল প্রচারিত জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে ফলাও করে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদে নদীর ইতিহাস, ঐতিহ্য, নদীর করুন দশা, নদী দখলের নানান দিকসহ নদী পূণঃরুদ্ধারে সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা উঠে আসে।

উঠে আসে পাবনাবাসীর দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবী ইছামতি নদী রক্ষার আকুতি মিনতি ও ব্যার্থতার ইতিহাস। এর পর থেকে পাবনার বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন সভা সমাবেশ করে ইছামতি নদী রক্ষা ও সংস্কার দাবী করছে, যা স্থানীয় পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হয়েছে।


এতে শুরু হয়েছে পাবনা শহরবাসীর মধ্যে আলোচনা ও নানা জল্পনা-কল্পনা। সচেতন মানুষের মধ্যে জাগ্রত হচ্ছে, ইছামতি নদী বাঁচাও আন্দোলনের চেতনা। এতে করে মনে হচ্ছে, নদী রক্ষার জন্য সামজিক আন্দোলন এখন পাবনাবাসীর সময়ের দাবী। মানুষের মুখে দাবী উচ্চারিত হচ্ছে, পাবনায় বর্তমান জেলা প্রশাসক থাকাকালীন সময়ের মধ্যেই ‘ইছামতি নদী’ বাঁচানোর মত এ কঠিন কর্মসূচী বাস্তবায়নের কাজ যেন সম্পন্ন হয়।

এর পূর্বে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিশেষজ্ঞ দল কয়েক দফা ইছামতি নদী খননের জন্য জরিপ করেন। জরিপ করাকালে দেখতে পান ইছামতি নদীর পানি প্রবাহের ৫-৬ টি মূল প্রবেশমুখ দখল করে মাটি ভরাটের কারণে বন্ধ হয়ে গেছে।

এ ছাড়াও ওই বিশেষজ্ঞ দল ডিএস ও সিএস রেকর্ড অনুযায়ী নদীর দুই পাড়ে ২৫২ জন দখলদারকে চিহ্নিত করেন। প্রভাশালীরা নদীর জায়গা দখল করে ব্যক্তি মালিকানাধীন দেখিয়ে কাগজপত্র তৈরি করে আদালতে মামলা করায় আইনের মারপ্যাচে উচ্ছেদ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে আছে।

পাবনার অভিজ্ঞমহল দাবী করেন, অবৈধ দখল উচ্ছেদ না করে আরএস রেকর্ড অনুযায়ী খনন করা হলে নদীটি নরদমাই থেকে যাবে নদী হবে না।

এর আগে, নদী সংস্কারের জন্য সরকারি বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়। কিন্তু অবৈধ দখলমুক্ত না করেই সেই টাকা ব্যয় করে কিছু জোড়াতালি দেয়ার মত কাজ হয়। পরবর্তীতে তত্বাবধায়ক সরকারের মত একটি সেনাশাসিত সরকারের এই নদী পূনরুদ্ধারে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান থেমে যায়। এতে হতাশ ও নিরাশ হয় পাবনাবাসী। দীর্ঘ দিনের প্রাণের দাবী যেন দাবীই থেকে যায়। নিভে যায় ইছামতি নদী বাঁচানোর সকল আশার আলো।

সেই আশার আলো আবার নতুন করে জ্বেলে উঠেছে পাবনা জেলা প্রশাসকের নদী বাঁচাও শিরোনামে একটি আলোচনা সভার মধ্যদিয়ে। গত মাসের এক সন্ধ্যায় পাবনা পুলিশ সুপার আলমগীর কবীর এর সাথে পাবনা সংবাদপত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দের এক সৌজন্য সাক্ষাতে প্রসঙ্গক্রমে ইছামতি নদীটি বাঁচাতে পাবনা জেলা প্রশাসকের ভূমিকার বিষয়টি উঠে আসলে তিনি বলেন, আমার বাসা ইছামতি নদীর পাড়ে হওয়ায় দুর্গন্ধে বারান্দায় দাঁড়াতে পারিনা, রুমের দরজা-জানালা পর্যন্ত খুলতে পারি না। নদীর দুই পাড়ের মানুষ কিভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বসবাস করেন? এমন প্রশ্ন করলেন পাবনার সুযোগ্য এই পুলিশ কর্মকর্তা।

এছাড়াও নদী পাড়ে বসবাসকারী এমন অনেক পরিবার এখন নদীদূষণের হাত থেকে বাঁচার জন্য নদীর সংস্কার চায়।

পাবনার মধ্যশহর তো বটেই ঐতিহ্যবাহী আরএম একাডেমী ও পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের ডিগ্রী ভবনের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে ইছামতি নদী। নদী দূষণের প্রভাব এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উপরও পড়ছে।

এ ছাড়া বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শ্বশুর বাড়ি নদী পাড় সংলগ্ন কলেজ পাড়ায়। এখানে শতশত পরিবার নদী দূষণে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের মধ্যে বসবাস করেন।

আমরা সবাই জানি দীর্ঘ দিন ধরে পাবনাবাসী যেসব দাবী নিয়ে আন্দোলন করে আসছিল সে দাবীগুলোর মধ্যে মেডিকেল কলেজ, রেলপথ বাস্তবায়ন এবং ইছামতি নদী পূণঃখনন ছিল অন্যতম।

বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর পাবনায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেরিন একাডেমি, রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প, পাবনা রেলপথ বাস্তবায়ন, পাবনা মেডিকেল কলেজসহ দাবীর বাইরেও অনেক বেশি দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাবনাবাসীর কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। কিন্তু ইছামতি নদীর সংস্কারের দাবী এখনও বাস্তবায়ন হয়নি।

পাবনার রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে প্রভাবশালী মহল যদি আন্তরিক হতেন, সরকারের কাছে ইছামতি নদী পূণঃখননের দাবী জানাতেন, তাহলে অনেক আগেই সে দাবী বাস্তবায়িত হত। কারণ প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা যা চেয়েছি তার চেয়ে অনেক বেশি পাওয়ার দৃষ্টান্ত অন্য কোন সরকারের সময় নেই।

পাবনা জেলা প্রশাসক রেখা রানী বালো পাবনায় আসার পর নদীর করুন দশা দেখে বিবেকের তাড়ণায় নদী রক্ষার জন্য পাবনাবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন। কিন্তু নদীর সিংহভাগ জায়গা আগেই বেদখল হয়ে আছে। নদীর সীমানা ছিল প্রায় ৩’শ ফুট প্রস্থ। বর্তমান প্রস্থ ৫০ থেকে ৭০ ফুট দাড়িছে। এখন ইছামতি নদী একটি মরা খাল। ময়লা আবর্জনার ভাগারে পরিণত হয়েছে। এটাকে দেখলে মনে হবে এটি একটি নর্দমা। যেমন মনে করেছিলেন বর্তমান পাবনা জেলা প্রশাসক রেখা রাণী বালো।

নদীটি আজ ভাগাড়ে পরিণত হয়ে জনস্বাস্থের জন্য মারাত্বক হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। শহরের সৌন্দর্য্য রক্ষা এবং যানজট নিরসনেও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে এ নদী। আমরা পাবনা শহরের ইতিহাস, পাবনা জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের কথা ভুলে যেতে বসেছি।

পাবনা জেলার ইতিহাস ঐতিহ্য সৃষ্টির অন্যতম ভূমিকা রেখেছে ইছামতি নদী এ কথা আমরা ভাবি না। মধ্য শহরে আঁকাবাঁকা এমন সুন্দর একটি নদী দেশের কম সংখ্যক শহরেই আছে। আর ইছামতি নদীকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে পাবনা শহর। প্রাচীন কাল থেকে এ শহরে সারা দেশ থেকে পণ্য আমদানী-রপ্তানীর জন্য যোগাযোগের মাধ্যম ছিল নৌযান নির্ভর যাতে ইছামতি নদীর ভূমিকা ছিল অন্যতম।

বর্তমান আধুনিক যুগে মোটরযান চালু হওয়ায় সেই নদী আমরা চিরতরে হারাতে বসেছি সচেতনতা ও উদ্যোগের অভাবে। অবজ্ঞা আর অবহেলায় নদী দুষণের কারণে আমাদের জনস্থাস্থ্যের জন্য কতটা ক্ষতি হচ্ছে তা আমারা ভেবে দেখছি না, অথচ সুস্থ্য পরিবেশে বেঁচে থাকতে চাই। অর্থাৎ নিজের ঘর নিজেরাই নোংড়া করে সুস্থ্য থাকার স্বপ্ন দেখি।

যে নদী নিয়ে আমরা গর্ব করি, যে নদী আমাদের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাহিত্য-সাংস্কৃতিতে স্থান পেয়েছে। সেই নদীই আমাদের স্বাস্থ্যের ও পরিবেশের জন্য বিপদজনক হুমকী হয়ে দাড়িয়েছে। তাই নদী উদ্ধার আন্দোলন বর্তমান পাবনাবাসীর মধ্যে নতুন করে দানা বাধঁতে শুরু করেছে। সকল শ্রেণি পেশার মানুষ সামাজিক আন্দোলনের ডাক দিয়েছে।

পাবনাবাসী চায় সরকারের নদী খনন প্রকল্পের আওতায় ইছামতির সংস্কার।
পাবনাবাসী খুব ভাল করেই জানেন স্থানীয় নেতৃত্বের উদাসীনতা, দখলদার আর ভূমিগ্রাসীদের দৌরাত্ব এবং স্থানীয় সরকার ও প্রশাসনের সীমাহীন দুর্বলতার কারণে নদীটি পূনরুদ্ধার করে সংস্কারমূলক পরিকল্পণা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি।

২০০৭ সালে তত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসলে তখন মানুষ আশা করেছিল এবার ইছামতি নদীটি অবৈধ দখলমুক্ত হবে। পাবনা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত স্বাস্থ্য দপ্তরের জমিতে বাস স্ট্যান্ড ও মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছিল। সেনা বাহিনীর সদস্যসহ পুলিশ-র‌্যাব এবং ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত থেকে মাত্র চার ঘন্টায় অপসারণ করলো। কিন্তু পূণরুদ্ধার করা গেল না ইছামতি নদী। এটা পাবনাবাসীর জন্য দুর্ভাগ্য।

বর্তমান পাবনা জেলা প্রশাসকের নদী রক্ষার আহবান সফল হলে এবং এর সঠিক পরিকল্পণা অনুযায়ী সংস্কার করলে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা হবে, শহরের যানজট কমবে, নদীর দুই পাড়ে বসবাসকারী পরিবার উপকৃত হবে, শহরের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিসহ মৎস্যচাষ, বনায়ন, বিনোদন পার্ক, বেইলিব্রীজ ও পায়ে চলা সড়ক নির্মাণ, গাড়ি পার্কিং ব্যাবস্থা, রুচিশীল খাবারের রেস্টুরেন্ট, শিশু-কিশোরদের বিনোদনের জন্য ডিঙি নৌকা চলাচলের ব্যবস্থা, হকার্স মার্কেট, রেস্টুরেন্ট, বিনোদন চত্বর স্থাপন, সভা, সমাবেশ ও সাংস্কৃতিক চত্তর, ভাষা আন্দোলন ও মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত ভাস্কর্য স্থাপন, ফুল, ফল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সন্ধ্যাকালীন বাজার স্থাপনসহ বহুমূখী কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। সম্ভব হবে বাংলাদেশের মধ্যে একটি অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা। সেই সম্ভাবনায় অগনিত বেকারদের কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হবে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এবং পাবনা জেলা প্রশাসকের কাছে পাবনাবাসীর একটাই দাবী তা হলো ইছামতি নদী সংস্কারের মাধ্যমে পাবনাকে পরিবেশ বান্ধব একটি সুন্দর শহর হিসেবে গড়ে তোলা।

(বি.দ্র.মতামত লেখকের একান্ত নিজস্ব। টাইমনিউজবিডির সম্পাদকীয় নীতিমালার সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই)

হাসান/এসএম