প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “এমনভাবে সিনেমা তৈরি করতে হবে, যেন পরিবার-পরিজন নিয়ে দেখতে পারি।”

সমাজ গঠনে চলচ্চিত্রের ভূমিকার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “আমি একজন রাজনীতিবিদ, যত বক্তৃতা দিয়ে মানুষকে যত কথাই বলি না কেন, একটা নাটক, একটা সিনেমা, একটা গানের মধ্য দিয়ে বা একটা কবিতার মধ্যে দিয়ে কিন্তু অনেক কথা বলা যায়, মানুষের অন্তরে প্রবেশ করা যায়, মনের গহীনে প্রবেশ করা যায়। সেজন্য এর একটা আবেদন কিন্তু রয়েছে।”

আজ (১৭ জানুয়ারি) রোববার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৯ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান। রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “সরকারি অনুদানে যাতে চলচ্চিত্র নির্মাণ হয়, সেই পদক্ষেপ নেওয়া এবং সেই আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি করা...সেটাও আমরা করে দিয়েছি। আমি অনেকের খুব দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থা দেখেছি। আমি যতক্ষণ আছি, ততক্ষণ সহযোগিতা করে যাব। কিন্তু, আমি যখন থাকব না, তখন কী হবে? সেই চিন্তা করেই কিন্তু ট্রাস্ট গঠন করা হয়। আমরা অবশ্য নাম দিয়েছি চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট, কিন্তু এই কল্যাণ ট্রাস্টে চলচ্চিত্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার যাতে সুযোগটা হয়, সে ব্যবস্থাটাও কিন্তু আমি করে দিয়েছি।”

শিশুদের জন্য শিক্ষণীয় চলচ্চিত্র নির্মাণের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, “আমাদের শিশুদের জন্য সিনেমা তৈরি করা একান্তভাবে প্রয়োজন। এর মধ্য দিয়ে একটা শিশু জীবনকে দেখতে পারবে, বড় হতে পারবে। শিশুদের জন্য চলচ্চিত্র নির্মাণ করা এবং তার মধ্যে দিয়ে তাদের শিক্ষণীয় বিষয়গুলো প্রতিফলিত করা, এটাও কিন্তু করতে হবে। অনেক দায়িত্ব আপনাদের।”

এমবি