ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার বাশবুনিয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে ২১১টি সাপ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে এ সাপগুলো উদ্ধার করা হয়। সাপগুলোর মধ্যে ৫/৬টি বড় এবং বাকিগুলো বাচ্চা বলে জানা গেছে।
বাশবুনিয়া গ্রামের মালতী রাণী দাসের ঘর থেকে এই সাপগুলো উদ্ধার করা হয়। ঘর থেকে সাপের ঘাঁটিটি নির্মূল হলে তাদের দীর্ঘদিনের আতংকিত জীবন যাপনের অবসান হয়েছে। ঘরে বসবাস ও নিয়মিত যাতায়াত করায় প্রতি মূহূর্তে সর্প দংশনের আশংকায় কাটাতে হচ্ছিল এই পরিবারের সদস্যদের।
কয়েক বছর ধরে তাদের বসত ঘরের মধ্যে এ বিষধর সাপগুলো বাস ও যাতায়াত করলে তারা কি করবে উপায় খুঁজে পাচ্ছিল না। এক পর্যায়ে প্রতিবেশীদের পরামর্শে ঝালকাঠির শহরের পুরাতন কলেজ (শ্বশানঘাট) এলাকার বাসিন্দা সর্পরাজ নুরুল ইসলামের খোঁজ পান। তিনি বুধবার সকালে মালতী রাণীর ঘরের মেঝের মাটি খুঁড়ে সাপের ঘাঁটি শনাক্ত করেন।
ধৃত সাপগুলোর মধ্যে ৫টি ৭ থেকে ৮ ফুট লম্বা, বাকী ২০৬টি বাচ্চা ও ২৫ টি ডিমসহ ২১১টি জীবন্ত বিষধর জাতি সাপ উদ্ধার করেন।
ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার বাশবুনিয়া গ্রামের মৃত অসিত ভূষন দাসের এ বসত ঘরে বিধবা স্ত্রী মালতী দাস, বিধবা পুত্রবধূ ও একমাত্র কন্যা বিথি দাস বসবাস করেন।
এসএইচ





