পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, বাংলাদেশ সরকার চট্টগ্রাম বন্দর উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের কাছে সহযোগিতা চাইবে।

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর জোহানেস জাট ও সোস্যাল প্রটেকশন টিমের সিনিয়র ইকোনমিস্ট ইফাত শরিফের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, গভীর সমুদ্র বন্দর গড়ে তুলতে অনেক সময় লাগবে। বর্তমানে আমাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশের ওপরে। আগামীতে আমাদের পক্ষে এই জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ থেকে ৯ শতাংশ অর্জন করা সম্ভব। তাই এ লক্ষে আমাদের অবশ্যই চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘সরকার কুতুবদিয়ায় একটি গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরী করতে আগ্রহী। এক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাংক তাদের প্রস্তাব নিয়ে আসতে পারে। যেহেতু গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরী একটু সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। সেক্ষেত্রে বিশ্ব ব্যাংক তাৎক্ষণিকভাবে চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দিতে পারে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনীতির জন্যই এটি দরকার।’
বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডাইরেক্টর সরকারের এ প্রস্তাবকে ইতিবাচক আখ্যায়িত করে বলেন, ‘বিশ্ব ব্যাংক চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে আগ্রহী। কুতুবদিয়ায় গভীর সমুদ্র বন্দর তৈরীতে বিশ্ব ব্যাংক প্রথমে সম্ভাব্যতা যাচাই করবে তারপর সরকারকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিবে।’
বিশ্ব ব্যাংকের সিনিয়র ইকনমিষ্ট ইফফাত শরীফ সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তা নিয়ে বলেন, ‘সরকার সামাজিক নিরাপত্তার অনেকগুলো খাতে সফলতা দেখালেও পুষ্টি খাতে সরকারের আরও কার্যকর ভূমিকা দরকার।

বিশ্ব ব্যাংক পুষ্টি খাতে সহায়তা দিতে নতুন প্রকল্প নিয়ে আসছে। এ প্রকল্পের আওতায় গরীব এলাকার গরীব মা ও অপুষ্টিতে ভোগা সন্তানদের চিহ্নিত করে পুষ্টি সহায়তা দেয়া হবে।’
এসময় পরিকল্পনা বিভাগের ভূঁইয়া সফিকুল ইসলামসহ পরিকল্পনা কমিশনের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা, ২ সেপ্টেম্বর, টাইমনিউজবিডিড.কম, জেআই