দ্বিতীয় দিনের মতো অবরুদ্ধ রয়েছেন তোবা গ্রুপের অনশনরত শ্রমিকরা।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে হোসেন মার্কেটের সামনে ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছে পুলিশ। তারা ভেতরে অবরুদ্ধ শ্রমিকদের খাওয়ার পানি ও স্যালাইন সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে।
বুধবার আন্দোলনরত শ্রমিকদের রাজধানীর হোসেন মার্কেটের তোবা গার্মেন্টসের ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা ঝুলিয়ে দেয় পুলিশ। তারপর থেকে কারখানায় অবরুদ্ধ রয়েছেন প্রায় এক হাজার শ্রমিক।
কারখানার ভেতরে দুই দিনে মোট ২০০ জন শ্রমিক অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এদের মধ্যে বেশির ভাগ শ্রমিকের অবস্থা সংকটাপন্ন।
শ্রকিমদের অভিযোগ, গতকাল (বুধবার)কারখানার ভেতরে তাদের চিকিৎসার জন্য দুজন নার্সকে ঢুকতে দেয়া হলেও আজ কাউকে ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে না পুলিশ। খাওয়ার পানি আনার জন্য কেউ একবার বের হলে তাকে আর ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না। এমনকি কারখানার ভেতরের পানি সরবরাহও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।
জুন ও জুলাই মাসের বেতন, ওভারটাইম ও ঈদ বোনাসের দাবিতে রাজধানীর উত্তর বাড্ডার হোসেন মার্কেটে ঈদের আগের দিন থেকে অনশন করে আসছেন তোবা গ্রুপের পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। একই সঙ্গে শ্রমিকরা প্রতিষ্ঠানটির এমডি দেলোয়ার হোসেনের শাশুড়ি লাইলী বেগমকে কারখানা ভবনে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন।
৩ আগস্ট বিজিএমইএ অফিসে সরকার, গার্মেন্টস শ্রমিক সমন্বয় পরিষদ ও বিজিএমইএর নেতাদের সমন্বয়ে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় সভায় তোবার শ্রমিকদের দুই মাসের বেতন পরিশোধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কিন্তু শ্রমিকেরা এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেন। তারা পাওনা তিন মাসের বেতন ও বোনাস একসঙ্গে পরিশোধ করার দাবি জানিয়ে আসছেন।
ঢাকা, ৭ আগস্ট, টাইমনিউজবিডি.কম, জেএ





