জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর নায়েবে আমীর মাওলনা আব্দুল হালিম বলেছেন, আত্মসংযম ও আত্মঠনের মাস পবিত্র মাহে রমজান। এই মহিমান্বিত মাসে কুরআন নাযিল হয়েছিল বলে এই মাসকে কুরআনের মাসও বলা হয়।
মূলত এ মাসে যথাযথভাবে সিয়াম সাধনা ও কিয়ামুল লাইলের মাধ্যমে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সন্তষ্টি অজর্নের মাধ্যমে ইহকালীন কল্যাণ ও পরকালীন মুক্তি লাভ করা সম্ভব। তাই মু’মিনদেও জন্য এই মাসকে প্রশিক্ষণের মাস হিসাবেই গ্রহণ করতে হবে। তিনি রমজান মাসকে আত্মগঠন ও নৈতিক প্রশিক্ষণ হিসোবে গ্রহণ করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
তিনি আজ রাজধানীর একটি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর যাত্রবাড়ী পূর্ব থানা আয়োজিত পবিত্র মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক ‘আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।
থানা আমীর নিজামুল নাঈমের সভাপতিত্বে ও জামায়াত নেতা শাহজাহানের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা ও ঢাকা মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকির। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরীর মজলিশে শুরা সদস্য আ জ ম রুহুল কুদ্দুস ও জয়নাল আবেদীন প্রমূখ।
মাওলানা আব্দুল হালিম বলেন, দ্বীন কায়েমের কাজে প্রত্যয়দীপ্ত আল্লাহ প্রেমিক তৈরির প্রশিক্ষণ দেয় পবিত্র মাহে রমজান। মূলত আল্লাহর ভালবাসা অর্জন এবং নিজেকে আল্লাহর প্রিয় গোলাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে মাহে রমজানের শিক্ষার বাস্তব অনুশীলনের কোন বিকল্প নেই।
আর দ্বীন প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে জেল-জুলুম-নির্যাতন উপেক্ষা করে এগিয়ে যাওয়াই হচ্ছে রমজানের শিক্ষা। ইসলামী আন্দোলন এগিয়ে নেয়ার কাজে নিন্দুকের নিন্দা, মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার দ্বীনের কাজকে কোন ভাবেই বাধাগ্রস্থ করতে পারেনা রবং শত্রুদের নেতিবাচক প্রচারণা ও ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র ইসলামী আন্দোলনের প্রতি মানুষের অগ্রহ বাড়িয়ে দেয় এবং আন্দোলনকে আরও গতিশীল করে।
তিনি সকল বাধা-প্রতিবন্ধকতা উপেক্ষা করে ইসলামী আন্দোলনকে আরও বেগবান করতে সকলের প্রতি আহবান জানান।
এমআর





