বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় গোটা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।
তিনি বলেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সবাইকে নিয়ে বসা দরকার। সেটা কি হয়েছে? দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে মতবিনিময় করা দরকার।
সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
বন্যা মোকাবেলায় সব রাজনৈতিক দলকে নিয়ে জাতীয় সংলাপ প্রয়োজন বলে মনে করেন কি না—এ প্রশ্নের জবাবে কামাল হোসেন বলেন, অবশ্যই একটি জাতীয় সংলাপ অপরিহার্য মনে করি বন্যার জন্য। বন্যার শিকার থেকে বাঁচতে ঐক্যবদ্ধ সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও দেশে ঐকমত্য গড়ে তোলতে হবে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট গঠনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, ওইটা একটা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে করা হয়েছিল। এখন দরকার আসল ঐক্য, জনগণের ঐক্য। সারা দেশের ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
বন্যা পরিস্থিতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট মাঠে না থাকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে কামাল হোসেন বলেন, ‘ওইটা তো একটা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হয়েছিল। এই বিষয়ে তো আমি মনে করি ঐক্যফ্রন্ট না, আসল ঐক্য, জনগণের ঐক্য করা দরকার। কয়েকটা দলের ঐক্য না, সারা দেশের ঐক্যকে আমি বেশি গুরুত্ব দিতে চাই।’
ঐক্যফ্রন্টের টানাপোড়েন প্রসঙ্গে জোটটির শীর্ষ নেতা বলেন, মূল লক্ষ্যকে সামনে রেখেই ঐক্যফ্রন্ট হয়েছিল। সে মূল লক্ষ্য তো আমাদের থাকবেই। ওটা ইলেকশনের ব্যাপারে একটা উদ্যোগ ছিল। এখন এই ধরনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আরও গুরুত্বপূর্ণভাবে ঐক্য গড়তে হবে।
বন্যা পরিস্থিতিতে দোষারোপের চেয়ে কারণগুলো চিহ্নিত করা দরকার, যেখান থেকে কোথায় ঘাটতি তা বেরিয়ে আসবে বলে জানান কামাল হোসেন।
তিনি বলেন, ‘দলীয় সংকীর্ণতা চলে আসে, পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করলে তখন সমস্যা সমাধানের চেয়ে এটাই চলতে থাকে।’ তিনি আরও বলেন, জনগণকে সচেতন করা ও সঠিক তথ্য দেয়া হচ্ছে সবচেয়ে বড় কাজ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি আবু সাইয়িদ। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহসীন রশীদ, গণফোরামের নেতা জগলুল হায়দায় আফ্রিক, মোহাম্মদ আজাদ হোসেন, লতিফুর বারী হামীম প্রমুখ ।
এমআর





