ঢাকায় বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের ৯২ শতাংশই সরকারি আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন না। ফলে পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়তি টাকা দিয়ে বাড়ি ভাড়ায় থাকতে হচ্ছে তাদের। যারা এরই মধ্যে বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের কেউ আবার অবৈধভাবে বাসা ভাড়া দিচ্ছেন।

এদিকে, আবাসন চাহিদা পূরণে নতুন কলোনি নির্মাণের সুযোগ নেই জানিয়ে প্রধান প্রকৌশলী বললেন, পুরনো ভবনগুলো ভেঙ্গে বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। আর বাসা ভাড়া দেয়ার প্রমাণ পেলে বরাদ্দ বাতিল করা হবে বলেও জানান তিনি।

সরকারি বাসা বরাদ্দ পাওয়া যেন সোনার হরিণ। এরকম বছরের পর বছর বিভিন্ন দফতরে ছোটাছুটি করেও বাসা পাননি অনেক সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারী। আর বাসা পেয়েছেন এরকম সৌভাগ্যবানদের সংখ্যা মাত্র ৮ শতাংশ। তবে যারা পেয়েছেন তাদের অনেকেই আবার বাড়তি আয়ের জন্য সাবলেট ভাড়া দিয়েছেন।

এদিকে আবাসন চাহিদা পূরণে সরকারি উদ্যোগের অভাব রয়েছে জানিয়ে রাষ্ট্রীয়ভাবে হাউজিং স্টক পরিকল্পনা গ্রহণের পরামর্শ দিলেন নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি ইকবাল হাবিব।

অন্যদিকে গণপূর্ত অধিদপ্তর কবির আহমেদ ভূঁইয়া বলেন, বরাদ্দ নিয়ে সরকারি বাসা ভাড়া দেয়ার অভিযোগ পেলে তার ব্যবস্থা নেয়া হবে।  আর আবাসন সুবিধা-বঞ্চিত সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য নতুন ভবন নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

এই পরিকল্পনায় আগামী ৩ -৪ বছরের মধ্যে আবাসন চাহিদার ১৫ শতাংশ পূরণ করা সম্ভব হবে বলে জানান তিনি।

জেআই